মেইন ম্যেনু

দেখুন কিভাবে পর্ণ ছবি বানানো হয়! (ভিডিও সহ)

পর্ণ বা নীল ছবি নিয়ে বিশুদ্ধবাদীরা যতই নাক উঁচু করেন না কেন এই ইন্ডাস্ট্রি যে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় সেটা তথ্যই প্রমাণ করে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের একটা বৃহৎ অংশ সুযোগ পেলেই পর্ণ সাইটে ঢু মারেন তা নানা গবেষণায়ই উঠে এসেছে। মানুষ নীল ছবির হাতছানিতে মাঝেমাঝেই ধরা দেয়, কিন্তু পর্দার ওপারে ঠিক কী ঘটে? সেই পর্ণ ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে আসুন জেনে নিই অবাক করা কিছু তথ্য।

পর্ণ রোজগার- সাধারণ পুরুষ পর্ণ অভিনেতারা ছবি প্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৫ হাজার টাকা রোজগার করেন। মহিলাদের ক্ষেত্রে রোজগারের অঙ্কটা দ্বিগুণ হয়। আর সমকামী পর্ণের ক্ষেত্রে রোজগারটা সাধারণ ক্ষেত্রের তিন গুণ হয়। তবে পর্ণস্টার বা পর্ণ তারকারা ঘণ্টায় এক হাজার থেকে ৫ হাজার ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় চার লক্ষ টাকা রোজগার করেন।

পর্ন তৈরি- বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পর্ণ সিনেমা তৈরি হয় আমেরিকায়। দু’নম্বরে জার্মানি। আমেরিকায় সপ্তাহে গড়ে ৫০০টি ও জার্মানিতে ৪০০টি পর্ণ সিনেমা তৈরি হয়। পর্ণ আসক্তি- এক সমীক্ষায় প্রকাশ ১০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ অনলাইনে পর্ণ দেখাটা তাদের যে কোনও নেশাকে হার মানিয়েছে। পর্ণ ও যৌন অপরাধ- সমীক্ষায় প্রকাশ যে দেশে পর্ণোগ্রাফিক সিনেমা দেখার বিষয়ে কোনও বাধা নিষেধ নেই সেখানে যৌন হিংসা বা অপরাধের সংখ্যা কম হয়। যদিও অন্য এক সমীক্ষায় প্রকাশ পর্ণ সিনেমা বেশি দেখা দেশে, যৌন অপরাধের সংখ্যা তুলনায় বেশি।

পর্ণ হিসেব- আমেরিকায় প্রতি ৩৯ মিনিটে একটি পর্ণ ছবি তৈরি হয়। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র দুটি রাজ্যে পর্ণ ছবি তৈরিতে অনুমতি আছে। পর্ণ সাইট- গোটা বিশ্বে সাড়ে চার কোটি পর্ন ওয়েবসাইট আছে। দুনিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইটের প্রতি মাসে পেজ ভিউজ সিএনএন, ইএসপিএনের তিন গুণ।

পর্ণ ব্যয়- প্রতি সেকেন্ড পর্ণগ্রাফির পিছনে খরচ হয় প্রায় ৩ হাজার ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। চাইল্ড পর্ণোগ্রাফি- দুনিয়ার সেরা ২০টি উন্নত দেশ বলেছে তাদের দেশের সেরা দশটা বড় সমস্যার মধ্যে প্রথমের দিকে আছে শিশু বা চাইল্ড পর্ণোগ্রাফি। কোন উপায়েই তারা এটা রোধ করতে পারছে না। ভারত শিশু পর্ণোগ্রাফি রুখতে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হচ্ছে। পর্ন দেখা- যে কোনও মুহূর্তে বিশ্বের অন্তত ৩০ হাজার মানুষ পর্ণোগ্রাফিক সিনেমা দেখছেন। প্রতি মুহূর্তে অন্তত ৩৭২ জন মানুষ গুগল সার্চে লিখছেন অ্যাডাল্ট বা পর্ণ জাতীয় সিনেমা বা ছবি। শরীরী ব্যবসা- পর্ন ইন্ডাস্ট্রি হলিউড, গুগল, এনএফএল, ইয়াহু, ইবে, আমাজনের থেকেও অনেক বেশি বড় ও লাভবান। সেক্স ইন্ডাস্ট্রি (পর্ন সিনেমা, দেহব্যবসা, স্ট্রিপ ক্লাব, নারী পাচার) হল বিশ্বের সবচেয়ে লাভজনক ‘ব্যবসা’।

পর্ণ নিয়ে শঙ্কা- সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হলো মানুষ যখন পর্ণ দেখে বা কিছু সময়ের মধ্যেই দেখবে এমন চিন্তায় থাকে তখনই তার রক্তের চাপ বাড়তে শুরু করে। পর্ণ দেখার সময় তার হৃদস্পন্দন কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে দুর্বল হৃদয়ের মানুষের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়।