মেইন ম্যেনু

‘দেড় বছর ধরে আমার ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে আইএস’

দেড় বছর ধরে আমাদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে আইএস। গণধর্ষণের পাশাপাশি চলছে গণহত্যা। তাও আমাদের যন্ত্রণা নিয়ে কোনও টুশব্দ করছে না বিশ্ব।’ ফের প্রকাশ্যে এলো-এর হাতে বন্দি থাকা এক যৌনদাসীর কাহিনি। সঙ্গে উঠে এল প্রশ্ন। আর কতদিন আইএস-এর হাতে ইয়াজ়িদিদের এই দুর্দশা দেখবে বিশ্ব। কমপক্ষে ৪ হাজার ইয়াজ়িদি মহিলাকে বন্দি করে রেখেছে জঙ্গি গোষ্ঠী। নির্বিকারে তাঁদের উপর চলছে অত্যাচার। মর্জিমাফিক বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের শরীর। মানবাধিকার সংগঠনগুলির সহায়তায় কেউ কেউ রক্ষা পেলেও, মানসিক ক্ষত সারতে সারতে জীবন কেটে যাচ্ছে। এমনই এক অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন নাদিয়া মুরাদ।

২১ বছরের এই তরুণীর চোখের সামনে, তাঁর পরিবারকে শেষ করে দিয়েছিল আইএস। নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল তাঁর ভাই ও মা’কে। এরপর যৌনদাসী হিসেবে নাদিয়াকে বিক্রি করে দেয় আইএস। তিনমাস ধরে পাশবিক অত্যাচারের শিকার হতে হয় তাঁকে। কোনওরকমে আইএস-এর কবল থেকে পালাতে সক্ষম নাদিয়া বর্তমানে বন্দি ইয়াজ়িদিদের সাহায্যের জন্য বিশ্বের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। সম্প্রতি লন্ডনের এক কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন তিনি। তুলে ধরেন আইএস-এর অত্যাচারের কাহিনি। এমন কিছু নেই, যা ওরা করতে পারে না। ৯ বছরের নাবালিকাকেও যৌনদাসী হতে বাধ্য করে আইএস। নাদিয়ার শহর সিনজরে নারীদের মেরে গণকবর দেওয়া হয়। চোখের সামনে মা, ভাইকে মরতে দেখে নিথর হয়ে গিয়েছিলেন নাদিয়া। মসুলে নিয়ে গিয়ে আমায় রোজ ধর্ষণ করত ওরা। ধর্ষণের সময় মা ও ভাইয়ের কথা ভুলে গিয়েছিলাম।

বর্তমান দুনিয়ার ক্ষমতাশীল দেশগুলির কাছে নাদিয়ার আবেদন, দেড় বছর ধরে চলে আসা এই নরক থেকে ইয়াজ়িদিদের উদ্ধার করুন।