মেইন ম্যেনু

দেবহাটা “রুপসী ম্যানেগ্রোভ পর্যটন” কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক

দেবহাটা উপজেলার ইছামতি নদীর তীর ঘেষে শীবনগর গ্রামে চিত্ত বিনোদনের লক্ষ্যে গড়ে ওঠা “রুপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন” কেন্দ্রে শুক্রবার রাতে পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রশাসন বিভাগের মহাপরিচালক কবির বিন আনোয়ার। তিনি তার সহধর্মীনিকে নিয়ে নয়নাভিরাম এই স্থানটি দেখে মুদ্ধ হন এবং অতি দ্রুত এই দার্শনিক স্থানটিকে আরো নান্দনিক ও দর্শনীয় করে গড়ে তুলতে জেলা প্রশাসক ও প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন।

জানা গেছে, ২০০৯ সালের ৩ মার্চ দেবহাটা উপজেলা পরিষদের ব্যবস্থাপনায় উপজেলা পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান এড. গোলাম মোস্তফার তত্ত্বাবধানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধীজনদের সহযোগীতায় উপজেলার শীবনগরে গড়ে তোলা হয় “রুপসী দেবহাটা ম্যানেগ্রোভ পর্যটন” কেন্দ্র নামে একটি বিনোদন কেন্দ্রটি। সম্পূর্ন সুন্দরবনের আদলে এবং তার উদ্ভিদ বৈচিত্র্যের সাথে সঙ্গতি রেখে উক্ত বিনোদন কেন্দ্রের কার্য্যক্রম শুরু করা হয়। এর কিছুদিন পরে অর্থ্যাৎ ২০ মার্চ তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ আ.ফ.ম রুহুল হক উক্ত বিনোদন কেন্দ্রে আসেন এবং বৃক্ষ রোপন করেন।

ইছামতির কোলে গড়ে ওঠা পর্যটন কেন্দ্রে কেওড়া, ওড়া, সুন্দরী, গোলপাতা, হিতালী, গরান, নারিকলে, শাহি বাবলা সহ নানা প্রজাতির বনজ বৃক্ষ রোপন করা হয়। সেই গাছগুলো বর্তমানে বড় আকৃতি ধারন করে এই এলাকাটিকে করে তুলেছে প্রকৃতির এক অপরুপ নান্দনিক পরিবেশের। আনুমানিক ১৫০ বিঘা (৫০ একর) জায়গা নিয়ে গঠিত উক্ত পর্যটন কেন্দ্রে ইতিমধ্যে খনন করা হয়েছে ২১ বিঘা (৭ একর) জায়গার একটি দীঘি।

তৈরী করা হয়েছে একটি রেষ্ট হাউজ ও দীঘির সিড়ি। শুক্রবার ইছামতি নদীর তির ঘেষে গড়ে উঠা সুন্দর এবং আকর্ষনীয় পর্যটন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রশাসন বিভাগের মহাপরিচালক কবির বিন আনোয়ার তার সহধর্মীানকে নিয়ে আসেন।

এসময় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান, এনডিসি রবিউল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এড. গোলাম মোস্তফা, দেবহাটা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ইসরাইল হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব আর.কে.বাপ্পা সহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মহাপরিচালক স্থানটি দেখে মুদ্ধ হন এবং তার পক্ষ থেকে অতি দ্রুত এই দার্শনিক স্থানটিকে আরো নান্দনিক ও দর্শনীয় করে গড়ে যথাসম্ভব চেষ্টা করবেন বলে জানান। এছাড়া তিনি জেলা প্রশাসক ও প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশনা দেন।