মেইন ম্যেনু

দেশেই আত্মগোপনে মেজর জিয়া ও মারজান

গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার ঘটনায় ৩ মাস্টারমাইন্ডকে শনাক্ত করেছিল পুলিশ। এরা হলেন- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত মেজর জিয়া, তামিম আহমেদ চৌধুরী ও নুরুল ইসলাম ওরফে মারজান। এদের মধ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডীয় নাগরিক তামিম আহমেদ চৌধুরী নারায়ণগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। বাকি দুজন এখনো পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে। পুলিশের দাবি, দুজনই দেশেই আত্মগোপনে আছেন। যেকোন সময় তাদের গ্রেফতার করা হবে।খবর জাগো নিউজের।

গত ১ জুলাই গুলশানের আর্টিসান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। এতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ ২২ জন নিহত হন। পরদিন সেনাবাহিনীর অপারেশন থান্ডার বোল্টে নিহত হয় ৬ জঙ্গি। এ ঘটনায় গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তের দায়ভার দেয়া হয় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটি) ইউনিটকে।

দীর্ঘদিন তদন্তের পর মাস্টারমাইন্ডদের শনাক্ত করে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত মেজর জিয়া ও তামিম আহমেদ চৌধুরীর সন্ধানদাতার জন্য ২০ লাখ টাকা করে পুরষ্কারও ঘোষণা করা হয়। পুলিশের অপারেশনে তামিম মারা গেলেও এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে আছেন মেজর জিয়া ও মারজান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিটি ইউনিটের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘মেজর জিয়া ও মারজান বাংলাদেশেই আছেন। ঢাকার বারিধারা-বসুন্ধরার মতো ভিআইপি ও অভিজাত এলাকায় অবস্থান করছেন বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে।’

সূত্র জানায়, জিয়া গোয়েন্দা নজরদারিতে আছেন। তাকে আটক সময়ের ব্যাপার মাত্র। যে কোনো সময় গোয়েন্দা জাল গুটিয়ে আনা হতে পারে।

তাদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘মারজান দেশেই আছেন। তাকে অচিরে গ্রেফতার করা হবে।’

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, জঙ্গি তামিম চৌধুরীর মতো মেজর জিয়ার চ্যাপ্টারও অচিরেই শেষ হবে। প্রশাসন তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।