মেইন ম্যেনু

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ইয়াবার চালান আটক

দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ইয়াবার চালান আটক করেছে র‌্যাব। ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিশাল অভিযানে ২৮ লাখ পিস ইয়াবা বড়ি আটক করা হয়, যা সরকারের অন্য কোনো সংস্থা এখনো পর্যন্ত আটক করতে পারেনি বলে র‌্যাব কর্মকর্তারা দাবি করেছেন। এ ঘটনায় আটক করা হয় চোরাচালান চক্রের অন্যতম কারবারি আলী আহম্মেদসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে।

সোমবার রাজধানীর উত্তরায় র‌্যাব হেডকোয়ার্টার্সে সংস্থাটির এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তারা জানান, শনিবার গোপন সংবাদ ছিল যে, বার্মিজ এবং দেশীয় চোরাচালানিদের একটি সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী চক্র মাছের ব্যবসার আড়ালে ট্রলারযোগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান নিয়ে মিয়ানমার থেকে চট্টগ্রামের দিকে আসছে। ওই দিন দিবাগত রাত থেকেই সমুদ্রসীমায় ব্যাপক তৎপরতা চালানো হয়। নাম পরিচয়হীন দুটি ট্রলার দেখে সন্দেহ হয়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রলার দুটি দুই দিকে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যেতে থাকলে আভিযানিক দলটি ট্রলার দুটিকে ধাওয়া করে একটিকে আটক করতে সমর্থ হয়। রোববার বিকেলে আটককৃত ট্রলার নিয়ে আভিযানিক দলটি পতেঙ্গা উপকূলে অবতরণ করে। আটককৃত ট্রলার তল্লাশি করে ২৭ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয় এবং চোরাচালান চক্রের প্রধান আলী আহম্মদ ও হামিদ উল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ বলেন, আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সকালে ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকা থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয় আলীর অপর সহযোগীকে। আলী আহম্মদ ‘একুশে প্রপার্টিজ’ নামের একটি ডেভলপার কোম্পানির আড়ালে মূলত ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করতেন। তাকে সহযোগিতা করতেন সিএ অধ্যায়নরত মো. মহিউদ্দিন ও তার অফিস সহকারী মো. হামিদ উল্লাহ। প্রধান ইয়াবা সরবরাহকারী বার্মিজ নাগরিক বমংকের কাছ থেকে বার্মিজ নাগরিক আয়াতুল্লাহের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাংলাদেশে অবস্থানরত আলী আহম্মদ সিন্ডিকেট ইয়াবার চালান চট্টগ্রামে নিয়ে আসেন। আয়াতুল্লাহ সিন্ডিকেট কর্তৃক মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে পাচার করা হয় ইয়াবা।

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া পরিচালক মুফতি মাহমুদ খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

র‌্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসামিদের সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।