মেইন ম্যেনু

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়

চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে রোববার।

এই তীব্র দাবদাহের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং। প্রচণ্ড গরমের কারণে মানুষের পাশাপাশি পশু-পাখীরও হাঁস-ফাঁস অবস্থা।

দাবদাহের কারণে হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে পেটের পীড়া, ডায়রিয়াসহ নানা রোগীর সংখ্যা। মানুষ একটু স্বস্তি পেতে গাছের ছায়া ও ঠাণ্ডা পানির দিকে ঝুঁকছে। এ সময় চিকিৎসকরা বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

গত তিন দিন ধরে চুয়াডাঙ্গাসহ আশপাশের জেলা মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহের ওপর দিয়ে এই দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক রাজিবুল ইসলাম জানান, দাবদাহের কারণে নানা রোগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট, উচ্চ রক্তচাপ, জ্বরসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

তিনি জানান, এমন আবহাওয়ায় বেশি বেশি পানি পান করা দরকার এবং চর্বি বা তৈলাক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। বেশি বেশি মৌসুমি ফলমূল খাওয়া দরকার। এতে দেহের তাপ সহনীয় মাত্রায় থাকবে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া দাবদাহের মধ্যে বাইরে না বের হওয়াই ভালো।

দাবদাহে সব চেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে কর্মজীবী মানুষ। রুটিরুজির জন্য তাদেরকে বাইরে বের হতেই হচ্ছে। এ কারণে কর্মজীবী মানুষরাই বেশি কষ্টের মধ্যে রয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম জানান, রোববার চুয়াডাঙ্গায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সারা দেশের সর্বোচ্চ। আজ সোমবার সকাল ৯টায় প্রথম প্রহরের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ দিনের শেষে চুয়াডাঙ্গার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পাওয়া যাবে।

প্রসঙ্গত, চুয়াডাঙ্গায় প্রায় প্রতিবছরই তাপমাত্রা রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। সেখানে দেশের এ যাবৎ কালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।