মেইন ম্যেনু

দ্রুত ওজন কমাবে যে ৭টি খাবার

আধুনিক যুগের জীবন-যাপনের ধরনের কারনে স্হূলতা বা বাড়তি ওজনের সমস্যা বাড়ছে। বাড়তি ওজন অনেক স্বাস্থ্য সমস্যার প্রধান কারন। তাছাড়া ওজন বেশি হলে সৌন্দর্যহানিও ঘটে। এ কারনে ওজন কমানোর জন্য অনেকেই বেশ সচেষ্ট। অনেকেই বেশি পরিশ্রম না করে খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে ওজন কমাতে চান। কিছু খাবার খেলে আসলেই কমতে পারে ওজন। এরকম সাতটি খাবার নিয়েই আজকে আলোচনা করব। এই খাবারগুলো খেলেই যে ওজন কমে জিরো ফিগার হয়ে যাবে তা নয়। কারন প্রতিটি মানুষ একে অন্যের থেকে আলাদা। প্রতিটি মানুষের শারীরিক গঠন আর খাদ্যাভ্যাসও আলাদা। তবে নিয়মিত এই সাতটি খাবার খেলে সহজেই ওজন কমে যেতে পারে।

১. কাজু বাদামঃ অনেকেই একটি ভুল ধারণা পোষণ করেন যে, বাদাম খেলে ওজন বাড়ে। কিন্তু তা সঠিক নয়। বরং কাজু বাদাম ওজন কমায়। শুধু তাই নয়, পুষ্টিবিজ্ঞানের ভাষায় কাজুবাদামের দানাকে ওজন কমানোর পিল বলা হয়। কাজুবাদামে প্রচুর পরিমানে এল-আর্জিনিন নামক এমাইনো এসিড থাকে, যা শরীরের চর্বি কমাতে খুবই কার্যকর।

২. টক দইঃ খাদ্য তালিকায় ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের সমন্বয় থাকলে ওজন দ্বিগুণ গতিতে কমবে। টক দইতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ডি আর ক্যালসিয়াম রয়েছে। ওজন কমাতে তাই টক দই খেতে পারেন।

৩. পেস্তা বাদামঃ গবেষণায় দেখা গেছে, বিকেলের নাস্তায় কয়েকটি পেস্তাবাদাম খেলে তা শরীরের চর্বি কমাতে সহায়তা করে। পাশাপাশি পেস্তা বাদাম রক্তের কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতেও সাহায্য করবে।

৪. গ্রিন টিঃ গ্রীন টিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যাটচীন নামক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, যা পেটে চর্বি জমতে বাধা দেয় ও দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে। যারা দৈনিক পঁচিশ মিনিট শারীরিক ব্যায়ামের পাশাপাশি চার থেকে পাঁচ কাপ গ্রিন টি পান করেন তাদের দ্রুত ওজন কমে।

৫. ডালঃ নিয়মিত শিম, ছোলা বা মটরের ডাল রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল)-এর মাত্রা কমায়। এতে সিস্টোলিক ব্লাড প্রেশারও কমে। পাশাপাশি এই ধরনের ডালগুলো শরীরের ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

৬. জাম্বুরাঃ জাম্বুরাতে প্রচুর ফাইটোকেমিক্যাল থাকে যা পেটের চর্বি কমাতে দারুণ কাজ করে। তিনবেলা খাবারের পুর্বে জাম্বুরা খেলে ছয় সপ্তাহে ভূঁড়ির পরিমাণ এক ইঞ্চি পর্যন্ত কমানো সক্ষম।

৭. অলিভ অয়েলঃ অলিভ অয়েলের উপকারিতার শেষ নেই। রান্নায় ব্যাবহৃত অলিভ অয়েলের অ্যাডিপোনেকটিন শরীরের অতিরিক্ত চর্বি ভাঙতে সাহায্য করে। ফলে ওজন কমে। তাছাড়া অলিভ অয়েলে ক্যান্সার বিরোধী পলিফেনল ও হার্টের জন্য উপকারী মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে।