মেইন ম্যেনু

ধর্মঘটে অচল খুলনার সব হাসপাতাল, দুর্ভোগ চরমে

চিকিৎসকদের ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে খুলনার সব সরকারি, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিগুলো। তবে মুমূর্ষু রোগীদের জন্য ধর্মঘট শিথিল করে চিকিৎসা দেয়া হলেও বন্ধ রয়েছে বাকী সব চিকিৎসা সেবা। এতে সাধারণ রোগীদের দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

তেরখাদা উপজেলায় এক চিকিৎসকের ওপর হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ ধর্মঘট শনিবারও অব্যাহত রয়েছে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেখা যায়, বহিঃবিভাগের সবক’টি শাখা চিকিৎসক শূন্য। দূর থেকে আসা রোগীরা চিকিৎসা না পেয়েই ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে আবার বেসরকারি ক্লিনিকের দারস্থ হলেও চিকিৎসা সেবা পাননি।

একই অবস্থা শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেরারেল হাসপাতালসহ নগরীর বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকের। তবে এসব হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগীদের জন্য জরুরি বিভাগ চালু রাখা হয়েছে।

নগরীর পাশাপাশি জেলার নয়টি উপজেলার স্বাস্থ্য কমেপ্লক্সসহ সব বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসকদের ধর্মঘটে ভোগান্তিতে পড়েছে হাজার হাজার রোগী। শুধু তাই নয় উপজেলার সব চিকিৎসকরা প্রাইভেট প্র্যাকটিসও বন্ধ রেখেছেন।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ) খুলনা জেলা সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম জানান, তেরখাদায় ডাক্তার মামুনকে মারধরের ঘটনায় স্থানীয় চেয়ারম্যান এফএম অহিদুজ্জামানের নাম উল্লেখ করে মামলা করার পরও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এর প্রতিবাদে চিকিৎসরা ধর্মঘটের ডাক দেয়।

তবে তেরখাদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান খান জানান, মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে তাদের অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, তেরখাদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত অবস্থায় ডা. আবদুল্লাহিল মামুনকে আওয়ামী লীগ নেতা শেখ অহিদুজ্জামান তার লোকজন নিয়ে মারধর ও লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনায় ডা. আবদুল্লাহ বাদী হয়ে অহিদুজ্জামান ও তার ভাইসহ পাঁচ জনের নামে থানায় মামলা করেন।

এ ঘটনার প্রতিবাদে এক দিনের ধর্মঘট ডাক দেয় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের খুলনা শাখা।