মেইন ম্যেনু

ধর্ষণের শিকার তরুণীদের অন্তরঙ্গ ছবি ফাঁস, মামলার প্রস্তুতি

রাজধানীর বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে ধর্ষণের অভিযোগকারী দুই তরুণীর সঙ্গে প্রধান অভিযুক্ত সাফাত আহমেদের কিছু অন্তরঙ্গ ছবি ফেসবুকে ভাইরাল (ফাঁস) হয়ে গেছে।

শুক্রবার (১৯ মে) থেকে ছবিগুলো ফেসবুক-টুইটারে ভেসে বেড়াচ্ছে।

সামাজিকভাবে হেয় করতে মেয়ে দুটির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছে কেউ কেউ। ছবিগুলোতে ধর্ষক সাফাতের সঙ্গে বেশ অন্তরঙ্গ সময় কাটানোর ছবিও রয়েছে।

এদিকে ভুক্তভোগী তরুণীদের এসব ছবি ছড়ানোর ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা করার কথা জানিয়েছেন এক ছাত্রী। তার বক্তব্য, এসব ছবি জোর করে তোলা হয়েছে। এখন সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য ছবিগুলো ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। সঠিক তদন্ত হলে কে বা কারা এসব ছবি পোস্ট করছে তা বেরিয়ে আসবে।

গত ২৮ মার্চ বন্ধুর সঙ্গে আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ-এর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে ধর্ষণের শিকার হন দুই বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণী। ওই ঘটনার প্রায় ৪০ দিন পর গত ৬ মে বনানী থানায় অভিযুক্ত সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ ও সাদমান সাকিফসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তারা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৮ মার্চ পূর্বপরিচিত সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওই দুই শিক্ষার্থীকে জন্মদিনের দাওয়াত দেয়। এরপর তাদের বনানীর ‘কে’ ব্লকের ২৭ নম্বর সড়কের ৪৯ নম্বরে রেইনট্রি নামের হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়।

এজাহারে আরো অভিযোগ করা হয়েছে, সেখানে দুই তরুণীকে হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণ করে সাফাত ও নাঈম। ধর্ষণ মামলার আসামিরা হলো- সাফাত আহমদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।

এর পরে ১১ মে সিলেট থেকে মামলার প্রধান আসামি সাফাত আহমেদসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর চার দিন পর ১৫ মে রাজধানীর নবাবপুর ও গুলশান-১ থেকে গ্রেপ্তার হন মামলার অপর দুই আসামি সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আজাদ (রহমত)। সর্বশেষ বুধবার (১৭ মে) রাতে গ্রেপ্তার হন আরেক অভিযুক্ত নাঈম আশরাফ।

এদিকে বৃহস্পতিবার (১৮ মে) ঢাকার পৃথক দুই মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বনানীতে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফ আদালতে জবানবন্দী দেন।






মন্তব্য চালু নেই