মেইন ম্যেনু

ধর্ষিতাদের দিয়ে দেহ-ব্যবসা!

১৩ থেকে ১৭ বছরের মেয়েদের ধর্ষণ করাই ছিল সেক্স গ্যাংয়ের কাজ৷ এরপর ধর্ষিতা কিশোরীরের ঠেলে দেওয়া হত দেহব্যবসার অন্ধকারে৷ সোমালী এলাকায় এমন ওকটি গ্যাং রয়েছে যারা কেবল ১৩-১৭ বছরের ব্রিটিশ কিশোরীদেরই শিকার বানাত৷ এই গ্যাংয়ের সদস্যরা প্রথমে কিশোরীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করত ফের তাদের ধর্ষণ করত৷ সম্প্রতি এই গ্যাংয়ের ৪০ জন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে যারা চার স্কুল পড়ুয়াকে ধর্ষণ করেছিল৷

অভিযুক্তদের ৪০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে৷ব্রিটিশ কিশোরীরা তাদের পাতা ফাঁদে পা দিত এবং তাদের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্ক গড়ে তুলত৷ তাদের মধ্যেই কিছু মেয়েরা জানিয়েছে বেশ কয়েকবার তাদের বাধ্য হয়েই প্রেমিকের বন্ধুর সঙ্গেও সহবাস করতে হয়েছে৷ যদিও এক যুবতীর বক্তব্য সোমালী এলাকায় লোকেদের প্রেমিকাদের জন্য এটা খুবই সাধারণ ব্যপার৷

এটাই ওখানকার সংস্কৃতি৷ এখানে মেয়েদের তাদের প্রেমিকের বন্ধুর সঙ্গেও সহবাস করতে হয়৷সম্প্রতি ব্রিস্টলের এক ১৩ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে৷ ওই নাবালিকাকে ধর্ষণের পর ব্রিস্টলে দেহব্যবসার জন্য বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল৷