মেইন ম্যেনু

‘ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ‍উঠছেন খাদিজা’

সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী খাদিজা বেগম ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। রবিবার দুপুর ১২টার দিকে স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে এমনটাই জানালেন খাদিজার চাচা ফয়জুল ইসলাম।

তিনি বলেন, খাদিজার পাশে এখন তাঁর ভাই শাহীন আছেন। এখন পর্যন্ত খাদিজা ভালো আছেন। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলছেন, চিকিৎসকরা বলেছেন, ‘খাদিজা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন।’

খাদিজার ওপর হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের কথাও জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।’

খাদিজার চাচা ফয়জুল ইসলাম বলেন, ‘ আল্লাহর কাছে দোয়া করি বদরুলের মত সন্তান যেনো বাংলাদেশে আর না জন্মায়।’ তিনি বলেন, ‘খাদিজার মা ও বাবা গতকাল শনিবার দেশের বাড়ি গেছেন।’

স্কয়ার হাসপাতালে খাদিজার চিকিৎসার ব্যয় নিয়েও কথা বলেন তিনি। সরকারের কাছ থেকে কোনো্ সাহায্য এখনো পাইনি বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

গতকাল শনিবার অস্ত্রোপচারের ৯৬ ঘণ্টা পর স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ সম্মেলনে আশার বাণী শোনান। চিকিৎসকরা বলেন, খাদিজা তাকিয়েছেন, তার ডান হাত ও ডান পা নাড়তে পারছেন।

গত সোমবার খাদিজা বেগমকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম।

ঘটনাস্থল থেকে অচেতন অবস্থায় খাদিজাকে প্রথমে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে স্কয়ার হাসপাতালে আনা হয়। গত শুক্রবারও তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

স্কয়ার হাসপাতালের উপপরিচালক এবং ইন্টারনাল মেডিসিন ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিভাগের পরামর্শক মির্জা নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘খাদিজা বেগম স্কয়ার হাসপাতালে গুরুতর জখম নিয়ে আসেন। তাঁর বেশির ভাগ আঘাত ছিল মাথায়। তিনি অজ্ঞান ছিলেন। তাঁকে বাঁচিয়ে রাখাটা ছিল আমাদের প্রধান লক্ষ্য।