মেইন ম্যেনু

নজরদারি এড়াতে তিন কৌশলে নারীদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে জঙ্গিবাদে

যারা জঙ্গি রিক্রুট করে তাদের প্রাথমিক কাজই হচ্ছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কিংবা নারীকে পর্যবেক্ষণ করা। প্রথমে তারা ধর্মভীরু নারীদের কাছে যান। এরপরই আস্তে আস্তে জঙ্গি কাজে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা হয় নারীদের। পারিবারিকভাবে জঙ্গিদের স্ত্রী, সন্তানদেরও জঙ্গি হওয়ার প্রবণতা লক্ষ্যণীয়।

কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন বলেন, নানা কৌশলেই মাস্টার মাইন্ডরা জঙ্গি রিক্রুটিংয়ের কাজ করছে। জঙ্গি কাজে তিনভাবে নারীর সম্পৃক্ততার বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন। একটি হলো আগে থেকেই জঙ্গি পরিবারের সদস্য নারী জঙ্গি হয়।

দ্বিতীয় ক্ষেত্রে স্বামী হঠাৎ জঙ্গি হলে স্ত্রীও স্বামীর সঙ্গে অংশ গ্রহণ করল বা করল না। আরেকটি হচ্ছে জঙ্গি পরিবারের কোনও ছেলের সঙ্গে কোনও নারীকে বিয়ে দেওয়া। এই কৌশলে নারীদের জঙ্গি কার্যক্রমে জড়ানো হচ্ছে।

ছানোয়ার হোসেন আরও বলেন, জঙ্গি রিক্রুটমেন্ট প্রক্রিয়া বিষয়টি ব্যাপকতা পায় নি। তবে এটি বিচ্ছিন্ন কিছু নয়। আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন বিদ্রোহী গ্রুপ থেকে শুরু করে যারাই সমাজচ্যুত বা বিপ্লবী হয়, সেক্ষেত্রে তাদের পরিবারের সদস্যদের অংশ নিতে দেখা যায়। এখনই এর শিকার উপড়ে ফেলতে হবে বলেও মনে করেন তিনি।

চার নারী জঙ্গিকে গ্রেফতারের পর র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক খন্দকার লুৎফুল কবির বলেন, জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে তারা কয়েকজন নারীকে গ্রেফতার করেছেন। অনেককেই বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন ধারায় জঙ্গিবাদে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। এমন আরও ১০ নারীর সন্ধান মিলেছে। যা যাচাই বাছাই করা হচ্ছে।