মেইন ম্যেনু

নতুন দলকে নিবন্ধন দেয়া হবে না

নতুন কোনো দলকে নিবন্ধন দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার শেরে বাংলা এনইসি সম্মেলন কক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, নতুন করে কোনো দলকে নিবন্ধন দিতে হলে পর্যাপ্ত সময় দরকার। সে সময় আমাদের হাতে নেই। দলীয় পরিচয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করতে পারলেও সংসদ নির্বাচনের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে পারবে। এ বিধান আমরা স্থানীয় নির্বাচনে রাখছি।

দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলে সহিংসতা বাড়বে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পৃথিবীতে অনেক দেশ আছে যাদের নির্বাচনে পুলিশও দরকার হয় না। আমরা আশা করছি বাংলাদেশেও একদিন এমন সংস্কৃতি আসবে তখন নির্বাচনে সহিংসতা থাকবে না। নির্বাচনে সহিংসতা ঠেকানোর জন্য আমরা বেশি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে মোতায়েন করার চেষ্টা করব।

দলীয়ভাবে নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিককের এক প্রশ্নের উত্তরে সিইসি বলেন, দীর্ঘদিন থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় সমর্থনে হচ্ছে। পত্র-পত্রিকায়ও প্রার্থীকে অমুক দলের প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করে দেয়া হয়। আমরা শুধু নির্বাচনের সময় নির্দলীয় প্রতীক দিয়ে থাকি। আগে থেকেই নির্বাচনের সব কর্মকাণ্ড দলীয় পরিচয়ে হচ্ছে। এখন সেটাকে আইনের মাধ্যমে আনু্ষ্ঠানিকতা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন এখনও হয়নি। এই অধ্যাদেশের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। আমাদের দেখতে হবে আইনে কী আছে। সে অনুযায়ী আমরা প্রস্তুতি নেব। তবে আমাদের হাতে কম সময় থাকায় আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি, যাতে অধ্যাদেশ হাতে পেলে নির্বাচনী বিধি সংশোধন করতে পারি।

পৌরসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, দলীয়ভাবে স্থানীয় নির্বাচনের অর্ডিন্যান্স হাতে পেলে আমরা পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করব। সে হিসেবে ১৫ নভেম্বরের দিকে অর্ডিন্যান্স পেলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দলীয়ভবে নির্বাচন করা সম্ভব।

বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা মৃত ভোটার, ভোটারতালিকা হালনাগাদ, নারী ভোটারের তথ্য নেওয়ার জন্য প্রতিনিধিদের সহায়তা নিয়ে থাকি। এজন্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। আমরা পযায়ক্রমে ঢাকার দুই সিটি ও চট্টগ্রাম সিটির জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করব।

তিনি বলেন, আজ ডিএনসিসির মেয়র ও কাউন্সিলারদের সঙ্গে মৃত ভোটারের তথ্য সংগ্রহ নিয়ে সহযোগিতা চাইলাম। তারা দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে মৃত ভোটারের সঠিক তালিকা ইসিতে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, স্মার্টকার্ড বিতরণকে সামনে রেখে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে মৃত ভোটারের নাম কর্তন, মৃত্যু রেজিস্টার হালনাগাদ করা, শশ্মান ও গোরস্থানের মৃতদের তালিকা সংগ্রহ করার বিষয়ে উত্তর সিটির জনপ্রতিনিধিদের সহায়তা চেয়েছে কমিশন।

বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক, আবু হাফিজ, জাবেদ আলী, মো. শাহনেওয়াজ, ইসি সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, ডিএনসিসির মেয়র আনিসুল হকসহ কাউন্সিলরগণ উপস্থিত ছিলেন।