মেইন ম্যেনু

নদীতে কোনো ফিটনেসবিহীন নৌযান চলে না!

ফিটনেসবিহীন নৌযানের কারণে প্রায়ই লঞ্চ দুর্ঘটনায় মারা যায় অনেক মানুষ। অথচ নৌমন্ত্রী শাহজাহান খান বলছেন, দেশের নদীগুলোতে কোনো প্রকার ফিটনেসবিহীন নৌযান চলাচল করে না। দেশের নদীগুলোতে যাতে কোনো প্রকার ফিটনেসবিহীন নৌযান চলাচল করতে না পারে সেটি নিশ্চিত করার জন্য নৌযান তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে নৌ শুমারি প্রকল্প গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও তিনি জানান।

সোমবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে মহিলা আসন-৪২ এর সাংসদ সদস্য নুরজাহান বেগমের এক তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে নৌমন্ত্রী শাহজাহান খানের পক্ষে এ তথ্য জানান পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

মন্ত্রী জানান, দেশের নৌপথগুলোতে ফিটনেসবিহীন নৌযান তথা সার্ভেবিহীন নৌযান চলাচল আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের নৌযানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল অধ্যাদেশ ১৯৭৬ এর বিধান অনুসারে নৌ-আদালতে মামলা দায়েরপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে। নৌপথে ফিটনেসবিহীন নৌযান যাতে চলাচল করতে না পারে তা তদারকির জন্য নৌ-পরিদর্শক এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট স্পেশাল অফিসার মেরিন সেফটি দিয়ে নিয়মিত পরিদর্শন কার্যক্রম ছাড়াও মাঝে মাঝে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

এদিকে নৌপথে পণ্য পরিবহণে ব্যবসায়ীদের উৎসাহ ও প্রণোদনা প্রদানে সরকারের কোনো পদক্ষেপ আছে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মা বহুমুখি সেতু সরকারের একটি অগ্রাধিকার প্রকল্প। দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে পদ্মা বহুমুখি সেতু নির্মাণকল্পে মংলা বন্দরের মাধ্যমে আমদানিকৃত মালামালের ল্যান্ডিং চার্জ মওকুফ করা হয়েছে।

এছাড় নৌ-পথে পণ্য পরিবহনে ব্যবসায়ীদের প্রণোদনা প্রদানের অংশ হিসেবে অভ্যন্তরীণ নৌ পথ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে খনন, ড্রেজার ও ড্রেজিং কাজে সহায়ক অন্যান্য জলযান সংগ্রহ, অভ্যন্তরীণ, নৌ বন্দরগুলোর আধুনিকায়ণ ও উন্নয়ন, নৌ পথে কন্টেইনার পরিবহনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ এবং নৌ সহায়ক যন্ত্রপাতি স্থাপন প্রভৃতি বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।