মেইন ম্যেনু

ননদের ছেলের সাথে অবৈধ যৌন সম্পর্কের জেরে মামী অস্তসত্ত্বা!

পাবলিকের ধোলাই খেয়ে বিয়ে পাগল অন্তসত্ত্বা অনিমা আক্তার খাদিজা এখন হাসপাতালের বেডে বসে কাতঁরাচ্ছেন। ননদের ছেলের সাথে পালিয়ে যাওয়ার পথে মির্জাগঞ্জ উপজেলার মনোহরখালী লঞ্চঘাট এলাকায় শনিবার ঘটনাটি ঘটে। এরপরে তাকে ওই রাতেই মির্জাগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার গোলখালী গ্রামের মোঃ সিরাজ মৃধার কন্যা অনিমা আক্তার খাদিজা বারো বছর বয়সে বেতাগী উপজেলার ঝোপখালী গ্রামের মোঃ মাসুদের সাথে বাল্যেবিবাহ হয়।

এ ঘটনা জানা জানি হলে বাল্যে বিবাহের অভিসাপ থেকে মুক্ত করতে স্থানীয় এক বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক তাকে বরিশাল একটি কলেজে ভর্তি করানোর পরে একটি এবং ঢাকার ইডেন কলেজে পড়াশুনা অবস্থায় দুইটি ঘটনা ঘটায়। খাদিজা ঢাকা থেকে দেশে এসে উপজেলার উত্তর সুবিদখালী গ্রামের মোঃ সফিকুল ইসলামের সাথে তার বিয়ে হয়।

বিয়ের এক বছরের মধ্যে আপন ননদের ছেলের সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠে। শনিবার সন্ধ্যায় ভাগিনা রহিম(ছদ্দনাম) এর সাথে পালিয়ে যাওয়ার সময়ে পারাগঞ্জের মনোহরখালী লঞ্চঘাটে দু’জনের চলাফেরা স্থানীয় লোকজনের কাছে সন্দেহ হলে তাদের কাছে ধরা পড়েন। দু’জনকে উত্তম-মাধ্যম দিয়ে তাদের বাড়ির লোকজনদের খবর দিলে তাঁরা এসে অনিমা আক্তার খাদিজাকে হাসপাতালে ভর্তি করনে।

টেস্ট রিপোর্টের পরে ডাক্তাররা দেখেন ভাগিনার সাথে যৌন সম্পর্কের জেরে অনিমা আক্তার খাদিজা প্রায় দুই মাসের অস্তসত্ত্বা। এ খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে একটা সময়ে তাঁর বর্তমান স্বামী শফিকুল ইসলাম মির্জাগঞ্জ হাসপাতাল থেকে স্ত্রীর নাম কেটে অন্যত্র নিয়ে যান।