মেইন ম্যেনু

ননী-তাহেরের রায় আগামীকাল

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নেত্রকোনার আতাউর রহমান ননী ও ওবায়দুল হক তাহেরের রায় আগামীকাল ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে উভয় পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনাল রোববার মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।

আসামি আতাউর রহমান ননী ও ওবায়দুল হক তাহের কারাগারে আটক রয়েছেন। দেড় বছর আগে তারা গ্রেফতার হন।

চলতি মাসের ৪ জানুয়ারি থেকে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের চার দিন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটির রায় ঘোষণার দিন ধার্য হলো।

এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল ও সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নী। আসামিপক্ষে আছেন আবদুস সোবাহান তরফদার ও গাজী এম এইচ তামিম।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় নিরস্ত্র মানুষকে অপহরণ, আটকে রেখে নির্যাতন, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ এবং হত্যার অভিযোগ রয়েছে এই দুই আসামির বিরুদ্ধে।

তদন্ত সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এই দুজন বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীকে সহযোগিতা করতে গঠিত রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় নেত্রকোনা জেলা সদর ও বারহাট্টা থানাসহ বিভিন্ন এলাকায় মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য তারা ‘কুখ্যাত রাজাকার’ হিসেবে পরিচিতি পান বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

এদের মধ্যে তাহের স্থানীয় রাজাকার বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে ননীসহ অন্যান্য রাজাকার সদস্যদের নিয়ে নেত্রকোনা শহরের মোক্তারপাড়ার বলয় বিশ্বাসের বাড়ি দখল করে রাজাকার ক্যাম্প স্থাপন করেছিলেন বলে প্রসিকিউশনের তথ্য।

২০১৩ সালের ৬ জুন এ দুই আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে প্রসিকিউশনের তদন্ত সংস্থা। এক বছর চার মাস ২৮ দিন পর ওই তদন্তের প্রতিবেদন জমা পড়ে ট্রাইব্যুনালে। এর আগে ট্রাইব্যুনাল গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে ২০১৪ সালের ১২ অাগস্ট এই দুজনকে গ্রেফতার করে নেত্রকোনা পুলিশ।