মেইন ম্যেনু

নৌকা ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষে আহত ১০

নাটোরের বড়াইগ্রামে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থীর উপর হামলা-মারপিট

নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর থেকে : নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইল ইউপি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রচারণাকালে প্রার্থী ও তার সমর্থকদের উপর হামলা করেছে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতকর্মীরা। এ ঘটনায় প্রার্থীসহ চারজন আহত হয়েছেন। এর আগে রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে চান্দাই ইউনিয়নের গাড়ফা বাজারে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ও আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও অফিস ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, সোমবার সকালে আব্দুল আজিজ ওরফে জনাব ৫-৬ জন কর্মী সমর্থককে নিয়ে দ্বারিকুশী ডাঙ্গাপাড়ায় গণসংযোগে বের হন। এ সময় আওয়ামীলীগের স্থানীয় ৮-১০ জন নেতাকর্মী তাকে প্রচারণা চালাতে বাধা দিলে তাদের মধ্যে বিতর্ক বাধে। এক পর্যায়ে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে তাদের উপরে হামলা করলে চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল আজিজ (৫৫), তার সমর্থক মাসুদ রানা (২৮), সাবান মোল্লা (২৭) ও নাজমুল হক (৩১) আহত হন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে স্বজনেরা আহতদেরকে উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করলে সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা হাসপাতাল থেকেও তাদেরকে বের করে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী।

এদিকে, রবিবার রাতে চান্দাই ইউনিয়নের গাড়ফা বাজারে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গেলে আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আতাউর রহমান জিন্নাহ ও আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান খেচুর সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের কার্যালয় ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মজনু (৪৫), আব্দুল খালেক (৪৮), বাবু (৩৫), সবুজ (২০), সাইদুল ইসলাম (৩২), মঞ্জুরুল ইসলাম (৪৮), ফরহাদ (৩৫), কালাম (৫৫) ও মখলেছ (৪০) কে বড়াইগ্রাম, চাটমোহর ও পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার সকালে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে আনিসুর রহমান খেচুর সমর্থকেরা গাড়ফা বাজারে এবং আতাউর রহমান জিন্নাহর সমর্থকেরা দিয়াড়গাড়ফা বাজারে অবস্থান নিলে এলাকায় পুনরায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনার জন্য আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থী আতাউর রহমান জিন্নাহ ও বিদ্রোহী প্রার্থী আনিসুর রহমান খেচু পরস্পরকে দায়ী করেছেন।

বড়াইগ্রাম থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বার বার ফোন করা না হলে তিনি ফোন না ধওে এ প্রতিবেদকের মোবাইলে এসএম এস লিখে পাঠান , I am at the cenema. পরে তিন ঘন্টা পরে তিনি জানান, খবর পেয়ে দুটি ঘটনাতেই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। হাসপাতালে তাদের চিকিৎসার ব্যাপারে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হলো না তা বললে তিনি নিরুত্তর থাকেন ।