মেইন ম্যেনু

নানার বাড়ী যাওয়ার পথে ২য় শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষনের শিকার

প্রথম শ্রেনীর এক ছাত্রী ধর্ষনের শিকার হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে মৃতে্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। ঘটনাটি ঘটেছে শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার বানিয়াপাড়া গ্রামে।

এলাকাবাসী, ধর্ষনের শিকার শিশুটির পরিবার ও থানায় মামলার সূত্রে জানা যায়, শ্রবির্দী উপজেলার চৈতাজানী গ্রামের মতিউর রহমান বেশ কিছুদিন যাবৎ ঝিনাইগাতী উপজেলার কুড়ালিয়াকান্দা গ্রামে তার শ্বশুর বাড়ীতে স্বপরিবারে বসবাস করে আসছে।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মতিউর রহমানের ৭ বছর বয়সী শিশু কন্যা ২য় শ্রেনীর ছাত্রী স্কুল শেষে একটি মাছ প্রকল্পের সাইড দিয়ে শিশুটি তার নানার বাড়ীতে ফিরছিল। এসময় ওই মাছ প্রকল্পের পাহারাদার বানিয়াপাড়া গ্রামের মৃত আঃ গনি মন্ডলের ছেলে আকিমিল ওরফে আকমল(৫৫) শিশুটিকে জোরপূর্বক ধরে এনে মাছ প্রকল্পের ঘরে ধর্ষন করে রক্তাত্ব ও অচেতন করে ফেলে।

শিশুটির প্রাথমিক ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ধর্ষক আকিমিল দৌড়ে পালিয়ে যায়। উপস্থিত লোকজন ও ধর্ষিতার পরিবার শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত শেরপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার কিছু সুবিধা ভোগী লোকজন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।

এদিকে ধর্ষিতার পিতা মতিউর রহমান বাদী হয়ে রবিবার রাতে ঝিনাইগাতী থানায় নারী-শিশু নির্যাতন ও ধর্ষনের অপরাধে আকিমিলের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। যাহার নম্বর-২১,তারিখঃ ১৮/১০/১৫।

এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান, “পুলিশ প্রশাসন শিশু ধর্ষনের মামলাটি অত্যান্ত গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়ে সাড়াসী অভিযান চালাচ্ছে, আসামী পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি, তবে অভিযান অব্যাহত আছে”।

কিন্ত এ ঘটনায় এলাকাবাসী ফুঁসে উঠেছে । এ জঘন্য অপরাধের জন্য এলাকাবাসী আকিমিলের কঠিন শাস্তির জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান।