মেইন ম্যেনু

নারিকেল গাছ কোন ‘বৃক্ষ’ নয়

ভারতের গোয়া রাজ্যের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা আর নারিকেল গাছকে বৃক্ষ হিসেবে বিবেচনা করবেন না। সম্প্রতি রাজ্য সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গোয়া রাজ্যের প্রতীকী চিহ্ন হিসেবে বিবেচনা করা হয় নারিকেল গাছকে। এ ছাড়া বিভিন্ন কারণেই গোয়ায় নারিকেল গাছ ব্যাপক জনপ্রিয়। তবে গত বছরের ডিসেম্বরে রাজ্য সরকার গোয়া দামান অ্যান্ড দিউ প্রিজারভেশন অব ট্রি’স অ্যাক্ট ১৯৮৪-তে সংশোধনী আনে। এতে নারিকেল গাছকে সংরক্ষিত বৃক্ষ তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর পরিবেশবাদীরা ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে। এই বিক্ষোভ সত্ত্বেও রাজ্য সরকার সিদ্ধান্তে অটল থাকে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী নারিকেল গাছকে বৃক্ষ নয় বরং চারা গাছ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর ফলে নারিকেল গাছ কিংবা বাগান কেটে ফেলতে বন বিভাগের কোনো ধরনের পূর্বানুমতির প্রয়োজন পড়বে না।

গোয়ার পরিবেশমন্ত্রী রাজেন্দ্র আরলেকার বলেন, উদ্ভিদবিজ্ঞান অনুযায়ী, নারিকেল গাছ কোনো বৃক্ষ নয়। কারণ এর কোনো শাখা-প্রশাখা নেই।

পরিবেশবাদী ও বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, রাজ্য সরকার এর মাধ্যমে আবাসন ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিতে চাইছে। পরিবেশবাদী সংগঠন গোয়া ফাউন্ডেশনের নেতা ক্লড আলভারেস বলেন, মনে হয় তারা বুঝতে পারছে না গোয়ার মানুষের কাছে নারিকেল গাছের গুরুত্ব কতটা বেশি। যখন তারা ভোটের জন্য ভোটারদের দুয়ারে যাবে, তখন তাদের মাথার ওপর নারিকেলই ভাঙবে ভোটাররা।

প্রসঙ্গত, পর্যটননগরী হিসেবে খ্যাত গোয়ায় নারিকেল ব্যাপক জনপ্রিয় খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। পানীয় থেকে শুরু করে তরকারি হিসেবেও নারিকেল ব্যবহৃত হয় এখানে।