মেইন ম্যেনু

নারীদের এই গোপন কথাগুলো আপনি জানেন কি?

একজন পুরুষের অপেক্ষায় একজন নারী সর্বদিব দিয়েই এগিয়ে থাকে। বুদ্ধিমত্তা, হিসাব নিকাশসহ ঘর-সংসার ব্যবসা বাণিজ্য সামলানো থেকে শুরু করে সব দিক দিয়েই নারীরা এগিয়ে। জেনে নিন কোন কোন দিকে নারীরা পুরুষদের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে৷

নারীরা পুরুষদের তুলনায় বেশিদিন বেঁচে থাকেন। এর সবচেয়ে বড় কারণ হৃদরোগ প্রতিরোধে তাদের অসামান্য ক্ষমতা আছে। নারীদের হৃদরোগ হয় সাধারণত ৭০ থেকে ৮০ বছরে, যেখানে বেশিরভাগ পুরুষ ৫০ থেকে ৬০ বছর বয়সের মধ্যেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়।

বেশি কিছু গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারীর সহ্যশক্তি অনেক বেশি। প্রসবযন্ত্রণাই এর বড় প্রমাণ। শুধু তাই নয়, নারীরা যে কোন জটিল পরিস্থিতি মানিয়ে নিতে পারেন চমৎকারভাবে। গবেষণায় দেখা গেছে, জটিল পরিস্থিতি সামাল দেয়ার ক্ষমতা পুরুষের চেয়ে নারীদেরই বেশি। কেন না, নারীদের মস্তিষ্কে অক্সিটোসিন বেশি উৎপন্ন হয়, যে হরমোন আমাদের শান্ত রাখতে সাহায্য করে।

পুরুষের তুলনায় একজন নারীর স্মরণশক্তি অনেক বেশি ভালো, ব্রিটেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় এমনটাই দাবী করেছে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে পুরুষদের স্মরণশক্তি কমলেও, নারীদের তেমন একটা কমে না।

ইন্টেলিজেন্স এক্সপার্ট বা বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা আর নিউজিল্যান্ডে বুদ্ধিমত্তা পরীক্ষায় নারীরা পুরুষদের হারিয়ে দিয়েছে। নারীদের মস্তিষ্কের দ্রুত বিকাশ হয় বলেও জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷

জর্জিয়া ও কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষের তুলনায় পড়ালেখায় নারীরাই এগিয়ে। তারা বিজ্ঞান খুব ভালো বোঝে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝ পথে পড়ালেখা ছেড়ে দেয়ার ক্ষেত্রে পুরুষের তালিকাটাই দীর্ঘ।

নারীরা রাস্তা চেনায় খুবই পারদর্শী হন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, নারীরা সংকেত, চিহ্ন এবং নির্দেশনা মনে রাখায় পারদর্শী। তাই তাদের পথ হারানোর ভয় যেমন থাকে না, তেমনি হারানো জিনিস খুঁজে পেতেও তাদের সময় লাগে না।

হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের চেয়ে নারীরা অনেক এগিয়ে। তারা হিসাব রাখার ক্ষেত্রে, অর্থ বুঝে খরচ করার ব্যাপারে পুরুষদের চেয়ে অনেকটাই পারদর্শী।