মেইন ম্যেনু

নারী দিবস আছে, কিন্তু পুরুষ দিবস নেই কেন?

বিশ্ব নারী দিবস। নারী দিবসের শুতেই নারীদের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, দিবস বা সমান অধিকার কি শুধু নারীদেরই প্রয়োজন? আনেক ক্ষেক্রে পুরুষদেরও তা প্রয়োজন হয়। যেমন ধরা যাক আজকের এই দিনটির কথাই, নারী দিবস আছে, কিন্তু পুরুর দিবস নেই কেন? একবারও মনে করেছেন, পুরুষদেরও কোনো একটা দিন ঘরের বউয়ের থেকে স্বাধিনতা প্রয়োজন। সেই পুরোন রেডিতে একই গান আর ভালো লাগেনা। অফিসের কাজ শেষে বাসায় ফেরার পর নানান বাহানা, বকা ঝকা এমনকি গালাগাল পর্যন্ত হয়ে থাকে!‍ পুরুষরা তা থেকে হয়তবা মুক্তি চায়, কিন্তু সমান অধিকার চায়না। কারণ সমান অধিকারের সব ভার নারীদের বহন করা সম্ভব হবেনা।

পুরুষরা ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক অনেক দায়িত্ব পালন করে থাকেন, কিন্তু নারীদের পক্ষে সে সব দায়িত্ব পালন সম্ভব নয়। আর তাই মহান আল্লাহ নারীদের লক্ষ করে পবিত্র কালামে পাকে বলেছেন, আমি পুরুষদেরকে তােমাদের অভিবাক হিসেবে পাঠিয়েছি (সূরা আন নিসার ৩৪ নং আয়াতের কিছু অংশ)। আর তাই অভিবাকরা কখনোই চাইবেনা তার অধিনস্তের কোনো সমস্যায় পরুক বা খারাপ কিছু হোক। তাছাড়া মহান আল্লাহ নারীদের মা হিসেবে সৃষ্টি করে অনেক সম্মনীত করে দিয়েছেন। কারণ মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেস্ত। সুহরাং এর থেকে বড় অধিকার আর কি বা প্রয়োজন আছে?

অন্যদিকে রাসুল (স.) তাঁর বানীতে (হাদীস) তিনবার মায়ের কথা বলেছেন কিন্তু সে খানে মাত্র একবার বাবার কথা বলেছেন। তাই বলেকি বাবারা সব মাঠে নেমে আধিকার আদায়ের জন্য মিটিং মিছিল করে যাচ্ছেন? নাকি ইসলামের বিপক্ষে গিয়ে কিছু বলা শুরু করেছেন। কারণ ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। ইসলাম সবাইকে শান্তির বার্তাই প্রধন করে। সুতরাং ইসলামের ছায়াতলে এসে কোরআন-হাদীস ভালোভাবে আকড়ে ধরলে জীবনের অনেক কিছুতেই পরিবর্তন আসবে। এবং দেখবা জীবনে অনেক কিছুরই সুন্দর ভাবে সামাধান হয়ে গিয়েছে। শুধু শুধু দুনিয়ার মরিচিকার পেচনে দৌঁড়িয়ে হয়রান হওয়ার কোনো মানে হয়না। অধিকারের প্রয়োজন নেই মনের শান্তি হলো সব থেকে বড় শান্তি।

আসুন ইসলাম অনুযায়ী জীবন গড়ি। কোনো দিবাস বা কাগজ-কলমের অধিকারই শান্তির এক মাত্র চাবি কাঠি হতে পারেনা। আর তাই ইসলামকে আকড়ে ধরি, কোরআন হাদীস মেনে চলি আর রাসুলের আদর্শে জীবন গড়ি। সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। শুভ রাত্রী। আল্লাহ হাফেজ।

আমার লেখার মাধ্যমে কাউকে কোনো কষ্ট দিয়ে থাকলে কিংবা ভুল হলে আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।

লেখক: জহিরুল ইসলাম