মেইন ম্যেনু

নাসা বিতর্ক উড়িয়ে দিল ১৮ বছরের ভারতকন্যা, লড়াই চলবে

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’র স্কলারশিপ নিয়ে ওঠা বিতর্ক উড়িয়ে দিলেন ভারতকন্যা শতপর্না মুখোপাধ্যায়। এর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তার দাবি, যে খবর রটানো হচ্ছে তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

নাসা’র সর্বোচ্চ স্কলারশিপ ‘গোডাড ইনটার্নশিপ প্রোগ্রাম’-এ নির্বাচিত হয়েছেন ভারতের মধ্যমগ্রামের ১৮ বছরের শতপর্না। কয়েক দিন আগে এই খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হয়েছিলেন তিনি।

তবে বিতর্কটা শুরু হয় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘হাফিংটনপোস্ট’-এর এক চিঠিকে কেন্দ্র করে। নাসাকে লেখা ওই চিঠির উত্তরে সংস্থাটির গোডাড ইনিস্টিটিউট ফর স্পেস স্টাডিজ-এর জনসংযোগ আধিকারিক মাইকেল ক্যাবেজ জানান ভিন্ন কথা।

তিনি স্পষ্ট করে জানান যে শতপর্ণা মুখোপাধ্যায় নামে কোনও ছাত্রীকে তাঁরা স্কলারশিপ দেননি। হাফিংটনপোস্ট শতপর্ণাকে লেখা এক প্রতিবেদনে এই দাবি করেছে।

সেইসঙ্গে হাফিংটনপোস্ট অবশ্য জানিয়েছে, অয়োতি পাত্র নামে এক ছাত্রী তাঁর ফেসবুক পেজে শতপর্ণার নাসর স্কলারশিপ ভাওতা বলে পোস্ট করে, তার ভিত্তিতেই তাঁরা গোডাড ইনস্টিটউটের কাছে তথ্য চায়।

অরিত্র ঘোষ নামেও একজন গোডাড ইনস্টিটিউটে চিঠি লিখে শতপর্ণার স্কলারশিপের ব্যাপারে জানতে চান। অরিত্রর দাবি, তাঁর চিঠির যে উত্তর গোডাড ইনস্টিটউট দিয়েছে তাতে নাকি শতপর্ণার স্কলারশিপ পাওয়ার খবর মিথ্যা বলেই প্রতিপন্ন হচ্ছে।

এবেলা ডট ইন থেকে শতপর্ণার সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়। শতপর্ণার তথ্য প্রমাণ দিয়ে সাফ দাবি করেছেন, এই খবর সম্পূর্ণভাবেই একটা গুজব ছাড়া আর কিছু নয়।

তিনি, নাসার কাছ থেকে এই স্কলারশিপ প্রাপ্তির চিঠিও পেয়েছেন এবং সেখানে স্পষ্ট করে লেখা আছে ইউনিভার্সিটি অফ এডিনবরার ইউকে সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোবায়োলজিতে নাসার অ্যাপলায়েড আর্থ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রামে গোডাড ইনটার্নশিপ-এ নির্বাচিত হয়েছেন।

যেভাবে নাসার স্কলারশিপ-এর খবরে তাঁকে মিথ্যাবাদী সাজানো হচ্ছে তাতে প্রবলই ক্ষুব্ধ শতপর্ণা ও তাঁর পরিবার। হতাশা গ্রাস করলেও এইধরণের খবর ছড়ানোর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন শতপর্ণা।