মেইন ম্যেনু

নায়লাদের চেয়ে অনেক মার্জিত ছিলাম: মুনমুন

হালের বিতর্কিত সেনসেশন নায়লা নাঈম ও ফেসবুকে অর্ধনগ্ন ছবি দিয়ে লাইমলাইটে আসা জ্যাকুলিন মিথিলারা যখন করপোরেট দুনিয়াকে পুঁজি করে মিডিয়ায় দাপিয়ে বেড়ানোর আভাস দিচ্ছেন তখন ময়ূরী-মুনমুনের মতো নায়িকারা বসে থাকবেন কেন? হয়তো ফায়ার ছবির নায়িকা পলিও নতুনভাবে মিডিয়ায় পা রাখবেন।

২০০০ সালের আগে ও পরে যখন অশ্লীল ছবির জোয়ার বইছিল তখন মুনমুন, ময়ূরী, পলি ও শায়লাদের চাহিদা ছিল বেশ তুঙ্গে। হলগুলোতে ছিলো তাদের ছবির জয়জয়কার। সময়ের পরিবর্তনে তারা বাদ পড়েছেন একে একে।

বেশ অনেক বছর তাদের মতো কেউ আসে নাই ছবি পাড়ায়। ২০১৪ সালে নায়লা নাঈমের আগমন। বিকিনি মডেল থেকে হয়ে যান নায়িকা। আর জ্যাকুলিন মিথিলাতো নিজেকে বাংলার সানি লিওন মনে করেন। জ্যাকুলিনরা যখন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হন, তখন মুনমুনের পিছিয়ে থাকার কোনো কারণ নেই।

তাই দীর্ঘদিন পর ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন মুনমুন। ১৫ ফেব্রুয়ারি মিনহাজ অভির ‘মেঘকন্যা’ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এক সময়ের এই ব্যস্ত নায়িকা। ছবিটিতে মুনমুনকে দেখা যাবে আইটেম কন্যা হিসেবে।

‘মেঘকন্যা’র পাঁচটি গানের মধ্যে একটি আইটেম গান রয়েছে। এই আইটেম গানটিতে পারফর্ম করবেন তিনি। কিছুদিনের মধ্যে গানটির চিত্রায়ন হবে বান্দরবানের নীলগিরি অথবা নীলাচল পাহাড়ের চূড়ায়।

খানিকটা আক্ষেপের সুরেই মুনমুন বলেন, ‘ভিন্নধর্মী একটি কাজ করতে যাচ্ছি। আশা করছি আগের সেই মুনমুনকে দেখতে পাবে দর্শক। এতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। খুব শিগগির ক্যামেরার সামনে উপস্থিত হবো।’

আর বিতর্কিত পুরনো প্রসঙ্গ টানতেই মুনমুন বলেন, ‘খুবই বিরক্ত আর রাগ লাগে, যখন মিডিয়া অসমভাবে বিবেচনা করেন। কারণ এখনকার নায়লা নাঈম, জ্যাকুলিনরা যেমনভাবে নিজেদের কদর্যভাবে উপস্থাপন করেন, অন্তত ওদের চেয়ে আমরা অনেক মার্জিত ছিলাম, এছাড়া আমরা কমার্শিয়াল মিডিয়া হিসেবে বড় পর্দায় কাজ করতাম, অথচ আমাদেরকে মিডিয়া এন্টারটেইনার হিসেবেও তখন কেউ মূল্যায়ন করেনি।

উল্লেখ্য, মুনমুন এখন অভিনয় করছেন দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর ‘বায়ান্ন থেকে একাত্তর’ ও ড্যানি সিডাকের ‘কাসার থালায় রুপালী চাঁদ’ ছবিতে।

১৯৯৬ সালে এহতেশামের পরিচালনায় ‘মৌমাছি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে রুপালি পর্দায় আসেন চিত্রনায়িকা মুনমুন। এরপর অসংখ্য চলচ্চিত্রে দেখা গেছে এই নায়িকাকে। এরমধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ‘রানী কেন ডাকাত’, ‘লন্ডভন্ড’, ‘মৃত্যুর মুখে’, ‘স্পর্ধা’, ‘বিষে ভরা নাগিন’, ‘মরণ কামড়’।