মেইন ম্যেনু

নিঃসঙ্গ ভ্রমণকারীদের ভেতরে থাকে যে ইতিবাচক দিকগুলো

বন্ধুদের সাথে বাইরে ঘুরে বেড়াতে তো আমরা কম-বেশি সবাই-ই গিয়েছি আর পছন্দও করে থাকি। কিন্তু কেমন হবে ব্যাপারটা যদি দূরে কোথাও ভ্রমণে যান আর সেটাও একেবারেই শুধু আপনার নিজের সাথে? আপনি যে বয়স, লিঙ্গ বা অবস্থানের মানুষই হোন না কেন, এই একটি ভ্রমণ আপনাকে অনেকগুলো নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করবে। সেইসাথে করে তুলবে কিছু ভালো গুণের অধিকারী। ভাবছেন নিশ্চয়ই, কী সেই গুণাবলীগুলো? চলুন তাহলে দেখে আসি নিঃসঙ্গ ভ্রমণকারীদের ভেতরে থাকা কিছু অসম্ভব ইতিবাচক দিকের কথা।

১. একাই একশ হওয়ার মানসিকতা

একা একা ভ্রমণ করেন যারা, তাদের অন্য কারো ওপর নির্ভর করবার প্রয়োজন বা সুযোগ থাকেনা। নিজের যতটুকু আছে সেটাকেই পুঁজি করে সামনে এগিয়ে চলেন তারা। কোনরকমের বিপদ বা সমস্যার মুখোমুখি হলে নিজের মেধাটুকু দিয়েই সেটার সমাধান বের করে ফেলেন। তাই এক কথায় বলতে গেলে, এই মানুষেরা আত্মবিশ্বাসে পূর্ণ ও নিজেদের জীবনকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকেন।

২. মানিয়ে নেওয়ার সহজাত ক্ষমতা

একলা ভ্রমণ করে থাকেন এমন মানুষগুলো বিভিন্ন স্থানে, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে একলা থেকেই মোকাবেলা করেন। নতুন নতুন স্থানে, একেবারে অপরিচিত জায়গাতে গিয়েও সবকিছুর সাথে নিজেকে মানিয়ে নেন তারা। আর তাদের এই ক্ষমতা ভবিষ্যত জীবনেও নানারকম কাজে ও পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে ও এগিয়ে চলতে সাহায্য করে।

৩. নিজেকে পুরোপুরি জানা

নিঃসঙ্গ ভ্রমণকারীরা নিজেকে বোঝার ও জানান সুযোগ পান অনেক বেশি। অনেক সময় হাজারটা মানুষের ভীড়ে নিজেদেরকেই ঠিক করে বুঝে উঠতে পারি না আমরা। নিঃসঙ্গ ভ্রমণকারীরা একা একা থাকবার অবসর পান বেশি আর সেসময়েই একেবারে নিজের মতন করে জীবন সম্পর্কে, জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে বুঝতে পারেন তারা। অন্য কারো দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে আসলেই জীবন থেকে কী চান তারা সেটা বুঝতে পারেন।

৪. খুঁটিনাটি বিষয়ে পারদর্শী

আমরা অনেকেই রাঁধতে জানিনা। কেউ কেউ আবার মানুষের সাথে মুখ ফুটে কথা বলতে পারিনা। দোকানদারের সাথে দরদাম করার মানসিকতা বা কৌশলগুলোও হয়তো জানান নেই আমাদের। কিন্তু, এরকম খুঁটিনাটি অনেক কিছুই জানতে হয় একজন নিঃসঙ্গ ভ্রমণকারীর। শুধু তাই নয়, নিজেকে ও নিজের আবেগকে সামলে অন্যকেও সামলানোর মতন ইতিবাচক ব্যাপারগুলো থাকে এই মানুষগুলোর ভেতরে।