মেইন ম্যেনু

‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’ সিনেমার যতো ভুল (ভিডিওসহ)

আমাদের দেশে সিনেমার অনুসঙ্গ আসলে নায়ক-নায়িকার সুন্দর চেহারা, অ্যাকশান, রোমান্টিক গান এসবে দর্শক ডুবে থাকে। সেখানে সিনেমা নির্মাতারা কে কী ভুল করলো এটা দেখার সময় কই। কিন্তু সময় তো বদলেছে। দর্শকরা এখন শুধু কাহিনী বা অ্যাকশনে ডুবে থাকতে রাজী নয়। তারা নির্মাণ ত্রুটি নিয়েও উৎসাহী। তাই আজ আমরা দেখাবো নির্মাতাদের সেইসব ভুলগুলি যা তারা ইচ্ছে করলেই এড়িয়ে যেতে পারতো। তাই দর্শক সেন্সরের কাঁচিতে কাটা হবে একটি সিনেমা।

123

প্রতিটি সিনেমায় কিছু ভুল থাকে। আর আমাদের দেশের সিনেমায় সেই ভুলগুলোর সংখ্যা যেন অগণিত। সিনেমার সেইসব ভুলগুলোকে নিয়ে ‘ঢালিউড সিনস’ ইউটিউবে ভিডিও এর মাধ্যমে সামনে নিয়ে এসেছে। মিডিয়াপল্লীর ব্যানারে তাদের প্রথম পর্বে উঠে আসছে নায়ক, পরিচালক ও প্রযোজক অনন্ত জলিলের ২০১৩ সালে রিলিজ হওয়া সিনেমা ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’। ১৩ মিনিটের এই ভিডিওতে অসংখ্য এবং উদ্ভট ভুলগুলোকে ধরে দেখানো হয়েছে। যেহেতু ইউটিউব ভিডিও তাই দর্শকদের কথা বিবেচনা করে ভুলগুলোকে বিনোদনের সঙ্গেই তুলে ধরা হয়েছে। তবে কিছু কিছু ভুল ছিল যেগুলোকে সাধারণ ভুল হিসেবে মেনে নেয়া কঠিন ছিল, তাই সেগুলোকে বোনাস দেয়া হয়েছে।

কিছু ভুল ছিল স্বাভাবিক এডিটিং ভুল। যেমন একই দৃশ্যে অনন্তের পিছনে গাড়ি, পরের দৃশ্যে গায়েব। কখনো বর্ষার বালিশের উপর ওড়না, আবার পরের দৃশ্যে নাই। অনন্ত এক ড্রেস পরে বাসা থেকে বের হোন, পৌঁছান আর এক ড্রেসে। তবে কিছু কিছু ভুল ছিল সাংগাতিক। যেমন এক দৃশ্যে অনন্ত বর্ষাকে বলে সে তাকে ভালোবাসে, কিন্তু তার কিছুক্ষণ পর এই দৃশ্যের কথা সম্পূর্ণ ভুলে যায় বর্ষা। এটা ছিল স্ক্রিপ্টের ভুল। এমন অসংখ্য অসংগতির যোগসূত্র ছিল ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’।

123r

ভিডিওটিতে অসংগতি বা ভুলগুলোর দেখা মিললে একটি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা সঙ্গে সঙ্গে উপরে বামদিকের কোনায় ‘সিন কাউন্টার’ এ গণনা করা হয়েছে। ‘সিন কাউন্টার’ এর পাশে রয়েছে ‘বোনাস কাউন্টার’। যেইসব ভুলের মাত্রা অনেক সেগুলোর হিসাব হয়েছে ‘বোনাস কাউন্টার’ এ। আর পুরো গণনার বিষয়টা উপরে ডান দিকের কোনায় ‘সিন টাইমার’ এ গণনা করা হয়েছে। সিনেমায় অরিজিনাল ভুল বের করা হয়েছে ১২৫টি, অন্যদিকে বোনাসের সংখ্যা ৬২,৫৩০টি।

ভিডিওটি দেখলেই বুঝবেন সাধারণ ভুলগুলো: