মেইন ম্যেনু

নিউজিল্যান্ডের মিডিয়ায় টাইগারদের প্রশংসা

পারফর্মেন্স এমন হওয়া উচিৎ যাতে প্রতিপক্ষও প্রশংসায় মশগুল হয়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে তেমনই একটা কিছু করে দেখাল বাংলাদেশ।

সাকিবের রুপকথা, মুশফিকের দৃঢ়চেতা ইনিংসের সাথে তামিম কিংবা মমিনুলের ইনিংসকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। ওয়েলিংটন টেস্টের সবচেয়ে কঠিন প্রথম দিনটা তো তারাই পার করেছেন। সফরকারীদের এই পারফর্মেন্সে মুগ্ধ কিউই মিডিয়াও।
এমনিতেই নিউজিল্যান্ডে ক্রিকেট নিয়ে তেমন কোনো মাতামাতি নেই। কারণ সে দেশের জনপ্রিয় খেলা হলো রাগবি। খুব বড় কিছু না ঘটলে গণমাধ্যমে ক্রিকেটের খবর আসা কঠিন। বাংলাদেশ এমন কিছু করে দেখাল যার কারণে দেশটির শীর্ষ মিডিয়ায় এখন বাংলাদেশ স্তুতি।

নিউজিল্যান্ডের সর্বাধিক জনপ্রিয় পত্রিকা নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড শিরোনাম করেছে, “নিউজিল্যান্ডকে ছিন্নভিন্ন করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। ” নিউজটিতে আরও লেখা হয়েছেন, ওয়েলিংটন টেস্টের দ্বিতীয় দিনেও বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের দাপটে ম্যাচে ফিরতে পারল না নিউজিল্যান্ড। ম্যাচের এখনও ৩দিন বাকী। নিউজিল্যান্ড এখনও ম্যাচে ফিরতে পারে। কিন্তু তার মানে এই নয় বাংলাদেশ খেলা ছেড়ে দেবে। দ্বিতীয় দিনের ৫৪২ রানকে তার নিশ্চয় তৃতীয় দিনে ৬০০ রানে নিতে চাইবে।

স্টাফ শিরোনাম করেছে, “ব্ল্যাক ক্যাপসদের বিপক্ষে দুর্দান্ত একটি দিন কাটাল বাংলাদেশ। ” খবরটির শুরুতেই লেখা হয়েছে, সাকিব আল হাসান এবং মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড গড়া পার্টনারশিপ একটা সময় ডন ব্রাডম্যানের রেকর্ডের দিকে চোখ রাঙ্গাচ্ছিল। এই দুজন পরিস্কারভাবে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে। বড় বড় দলকে ঘায়েল করার মিশনে নামা মুশফিক বাহিনী বেসিন রিজার্ভের বাকী তিন দিনও নিজেদের করে নিতে চাইবে।

সবচেয়ে আক্রমণাত্বক শিরোনাম করেছে ওটাগো ডেইল টাইমস। সংবাদমাধ্যমটির হেডলাইন হলো, “নিউজিল্যন্ডকে কচুকাটা করল বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা। ” খবরটিতে লেখা হয়েছে, সাকিবের ডাবল সেঞ্চুরি এবং মুশফিকের দেড় শতাধিক রানের পর সফরকারীরা নিশ্চয়ই চাইবে না ম্যাচটি হারতে।

এছাড়া নিউজিল্যান্ড স্টার শিরোনাম করেছে, “সাকিব আল হাসান এবং মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে গর্জে উঠেছে বাংলাদেশ। ” ভিন্ন আরও নিউজ করেছে গণমাধ্যমটি। একটি নিউজের শিরোনাম, “হাসান এবং রহিমের কল্যাণে ওয়েলিংটন টেস্টে বাংলাদেশের ৫৪২ রান। ” এছাড়া পেসার ট্রেন্ট বোল্টকে নিয়ে একটি নিউজের শিরোনাম হলো এরকম, “বাংলাদেশ টেস্টে স্বরুপে ফেরার অপেক্ষায় ট্রেন্ট বোল্ট। “