মেইন ম্যেনু

নিজেকে জীবিত প্রমাণে চলছে আইনি লড়াই

ভারতের উত্তরপ্রদেশের বারাণসীর বাসিন্দা সন্তোষ (৩৫) গত ২০০০ সালে নিজের রাজ্য ছেড়ে চলে যান মুম্বাইয়ে। সেখানে গিয়ে বলিউডের অভিনেতা নানা পাটেকরের রাঁধুনি ও গাড়ির চালকের দায়িত্ব নেন তিনি। সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল। ২০০২ সালে মহারাষ্ট্রের এক দলিত মেয়েকে বিয়ে করেন। তারপরই তৈরি হয় সমস্যা। বিয়ে করেই বারাণসীর বাড়ি ফিরতেই সন্তোষকে একঘরে করে রাখা হয়।

দলিত সমপ্রদায়ের এক নারীকে বিয়ে করাটাই তার অপরাধ! আর তাতে বেঁচে থাকাটাই রীতিমতো কঠিন হয়ে উঠেছে সন্তোষ মুরত সিংয়ের। শুধু তাই নয়, সন্তোষের সব সম্পত্তি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এমনকি তাকে মৃত বলেও ঘোষণা দিয়েছে তার পরিবারের লোকেরা।

তার ভাইপো সন্তোষকে মৃত বলে ঘোষণা দেন। তারা তার শেষকৃত্যও সেরে ফেলেন এবং ডেথ সার্টিফিকেটও বানিয়ে ফেলেন। তার নামে যে সাড়ে ১২ একর জমি ছিল সেটাও হাতিয়ে নেয়।

সেই থেকেই তিনি নিজেকে জীবিত প্রমাণের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি যে মারা যাননি সেটা প্রমাণ করতেই চালিয়ে যাচ্ছেন আইনি লড়াই। সঙ্গে অবস্থান ধর্মঘটও। ‘হিন্দিতে ম্যায় জিন্দা হুঁ’ (আমি বেঁচে আছি), ও ইংরেজিতে ‘আই অ্যাম এলাইভ’ লেখা পোস্টারের তলায় বসেই কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সন্তোষ বোঝাতে চাইছেন তিনি বেঁচে আছেন।