মেইন ম্যেনু

নিজেদের নাটকই দেখেছেন তারা

বছরে দুবার ঈদ হয়। ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের একটু বিনোদন দিতে টেলিভিশনে প্রচারিত হয়ে থাকে বিভিন্ন ধরনের বিনোদন মূলক অনুষ্ঠান। প্রচারিত হয় অসংখ্য নতুন নাটক। আর এই নাটক গুলোতে অভিনয় করে থাকেন জনপ্রিয় সব অভিনেতা-অভিনেত্রীরা।

দর্শকদের জন্য তারা অভিনয় করে থাকেন। তাদের অভিনীত নাটক দেখে দর্শক কখনও হাসেন আবার কখনও কাঁদেন। কেন কাঁদেন বা কেন হাসেন? কারণ অভিনয় শিল্পীরা তাদের অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের সেই হাসি অথবা কান্নার জায়গাতেই পৌঁছাতে পারেন। তবে তাদের অভিনীত নাটক তার নিজেরা কি দেখেন? এই প্রশ্নের উত্তর তারা নিজেরাই দিয়েছেন।

জ্যোতিকা জ্যোতি: ঈদের দিন পর্যন্ত ঢাকায় ছিলাম। এখন শুটিংয়ে আছি কক্সবাজার। ঈদে নিজে অভিনীত নিজের নাটক দেখার মত সময় হাতে ছিল না। তবে ‘হাড়ায়া খুঁজি’, ‘অপর পৃষ্ঠায় দৃষ্টব্য’, ‘শুনছেন সংবাদ শিরোনাম’ এই নাটক গুলো বেশ ভাল লাগার মত কাজ।

অপূর্ব: ঈদের এই সময়টাতে সবসময় বাসায় থাকার চেষ্টা করি। পরিবার নিয়েই ব্যস্ত থাকি। নিজের অভিনীত নাটক দেখেছি। আবার অন্যদেরটাও দেখেছি। নিজের কাজ ভাল না মন্দ এটা বলা মুশকিল। ভাল লেগেছে ‘ফোর্থ নোট’, ‘ভালবাসার ফানুশ’সহ আরও বেশ কয়েকটি।

শ্যামল মাওলা: সব সবসময়ই ঈদের এই সময়ে ঘোরাঘুরিতেই থাকি বন্ধুদের নিয়ে। সঙ্গে পরিবার তো আছেই। নিজের অভিনীত নাটক সব দেখার সময় হয়ে ওঠেনা। তবে এবারের ঈদে রেদওয়ান রনির পরিচালনায় ‘দুষ্টু ছেলের দল’ নাটকটি নিয়ে খুব আশাবাদি ছিলাম। অনেকে ফোন দিয়ে ভাল লাগার কথা বলেছে। দেখার মধ্যে এই নাটকটির পর্ব গুলো দেখেছি।

নাঈম: একটানা শুটিং করার পর ঈদের দিন থেকেই জ্বর। তাই বাসার বাইরে আর বের হওয়া হয়নি। বাসায় বসে নাটকই দেখা হয়েছে। এবারের ঈদের প্রায় সব গুলো নাটকই দেখা হয়েছে। বেশ ভাল ছিল। তার মধ্যে ‘সে আমার মন কেড়েছে’, নীলাঞ্জনা, লাল প্রজাপতি, মায়াসহ আরও অনেক গুলোই। তবে বাবাকে নিয়ে মাত্র একবারই খেতে বের হয়েছিলাম বাইরে।

সজল: ঈদের সময়টাতে বাসায়ই থাকি। পরিবারকে সময় দেই। নিজের অভিনীত নাটক দেখেছি। অনেক গুলো ভাল লেগেছে। যেমন ‘হাইহীল’, ‘তোমার আমার বিয়ে’, ‘অদৃশ্য মানব’, ‘মামা আমাকে ডিজেল দিন’। তবে অন্যদেরও কিছু কাজ দেখে ভাল লেগেছে। তার মধ্যে ‘কোপা সামসু, ‘গুলবাহার। এইতো এগুলো দেখেই কেটে গেছে সময়।