মেইন ম্যেনু

নিজের কিছু নতুন বদভ্যাস বদলাতে চান? তবে জেনে নিন কি করবেন

কোনো একটি বিষয়ে নতুন অভ্যাস গড়তে চাইলে সে বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। বিষয়টি নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত চিন্তাভাবনা করলে তা সে অভ্যাস গড়ার পথে বাধা সৃষ্টি করে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ। নতুন অভ্যাস গড়ার বিষয়টি জানা গেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। এ গবেষণাটি করেছেন ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়য়ার সাইকোলজিস্ট জেনিফার ল্যাবরেক। তিনি জানান, মানুষের মস্তিষ্ক যে পদ্ধতিতে চলে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ক্রমাগত একটি বিষয়কে আপনি যদি কঠিন মনে করেন তাহলে তা করা সত্যিই আপনার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। তার গবেষণার প্রতিবেদনটি উপস্থাপিত হবে সোসাইটি ফর পার্সোনালিটি অ্যান্ড সোশ্যাল সাইকোলজি-এর বার্ষিক সম্মেলনে। এ বিষয়ে জেনিফার বলেন, ‘আপনি যখন দুটি স্মৃতিশক্তিকে একসঙ্গে ব্যবহার করেন তখন তারা একে অপরের সঙ্গে বিপরীতভাবে কাজ করবে।’

কোনো একটি নতুন অভ্যাস গড়তে চাইলে দুটি বিষয়কে প্রাধান্য দিতে বলেছেন জেনিফার। তার মতে এগুলো হলো- পরিকল্পনা করুন ও তা বাস্তবায়ন করুন। মাঝখানে বাড়তি চিন্তাভাবনা বাদ দিন। পরিকল্পনা করুন কোনো একটি অভ্যাস গড়তে চাইলে পরিকল্পনার বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে চিন্তাভাবনা সঠিক রাস্তায় চালানো সম্ভব হবে। এটি সম্ভব না হলে তা বিচ্ছিন্ন চিন্তায় রূপ নেবে। বিচ্ছিন্ন চিন্তার এ বিষয়টি আপনার সঠিক অভ্যাস গড়ায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে। তাই পরিকল্পনা এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ। এ বিষয়ে গবেষকরা বলেন, বিচ্ছিন্ন চিন্তাভাবনায় বিষয়টি শেখার গুরুত্ব কমে যায়। তাই এটি বাদ দেওয়াই ভালো। বাড়তি চিন্তা বাদ দিন অভ্যাস গড়ার সময় কোনোমতেই তা নিয়ে বাড়তি চিন্তা করা উচিত নয়। কারণ বিচ্ছিন্ন বাড়তি চিন্তা কাজের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আগের গবেষণায় এ বিষয়টি জানা যায়নি। কিন্তু এবারের গবেষণায় এটি পরিষ্কারভাবে উঠে এসেছে। এক্ষেত্রে গবেষকদের মত হলো, কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য সঠিক রাস্তার সন্ধান করা প্রয়োজন। এক্সেত্রে বিভিন্ন পয়েন্ট ধরে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ অতি প্রয়োজনীয়। বিচ্ছিন্ন চিন্তাভাবনা এ সমাধান দেয় না। এ বিষয়ে জেনিফার বলেন, ‘আপনার লাইনগুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা করুন এবং পরিস্থিতি বুঝে নিন যে কিভাবে তা সমাধান করা যায়। কিন্তু অতিরিক্ত চিন্তা বাদ দিন যেন তা আপনার আচরণে প্রভাব বিস্তার না করে।



« (পূর্বের সংবাদ)