মেইন ম্যেনু

নিজের গলা কেটে বেঁচে গেল স্কুলছাত্র

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গলা কেটে ফেলার পরও বেঁচে গেছে এক কিশোর। ছেলেটির বাবা জানিয়েছেন, ওই কিশোর আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল। তাকে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরের নাম রবিউল ইসলাম। রাজশাহীর গোদাগারী মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সে। তার বাড়ি গোদাগাড়ী পৌরসভার ভগবন্তপুর-হাটপাড়া এলাকায়।

রবিউলের বাবা আবুল কালাম আজাদ ঢাকাটাইমসকে জানান, ঈদের পরদিন বুধবার তার ছেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের শান্তির মোড় এলাকায় নানার বাড়িতে বেড়াতে যায়। শনিবার বেলা ১১ টার দিকে সেখানেই নিজের গলায় হাঁসুয়া (দা আকৃতির ধারালো অস্ত্র) বাঁধিয়ে টান দেয়। এরপর সে চিৎকার করলে স্বজনরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে রবিউলকে নেয়া হয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে

রাজশাহী মেডিকেলের কর্তব্যরত একজন চিকিৎসক জানান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রবিউলের গলায় প্রায় এক ইঞ্চি গভীর জখম হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রবিউলের বাবা বলেন, ‘আমার ছেলে মানসিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ নয়। কোনো কারণে হতাশ হয়ে সে আত্মহত্যার চেষ্টা করতে পারে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) চৌধুরী জোবায়ের আহমেদ বলেন, ‘রবিউল আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে, নাকি কেউ তাকে হত্যা করতে চেয়েছে, সেটা এখনও বলছি না আমরা। এ বিষয়ে তদন্তের পরই সিদ্ধান্তে আসা যাবে।’