মেইন ম্যেনু

নিবন্ধন জটিলতার ফাঁদে সাড়ে ১২শ’ হজ গমনেচ্ছু

ইলেকট্রনিক হজ (ই হজ) পদ্ধতির নতুন নিয়মে প্রাক নিবন্ধন সম্পন্ন করেও সাড়ে ১২শ’ হজ গমনেচ্ছুর হজে গমন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জটিলতার শিকার অধিকাংশই একই পরিবারের সদস্য!

অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্বামী নিবন্ধিত হলে স্ত্রী, স্ত্রী নিবন্ধিত হলে স্বামী, ছেলে নিবন্ধিত হলে মেয়ে আবার মেয়ে নিবন্ধিত হলে ছেলে বাদ পড়েছেন। ফলে একই পরিবার একসঙ্গে হজে যাওয়ার নিয়ত করে রাখলেও নিবন্ধন প্রক্রিয়ার জটিলতার কারণে সকলের একসঙ্গে হজে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

হজ এজেন্সিস অব বাংলাদেশ (হাব) সভাপতি ইব্রাহিম বাহার আজ (রোববার) এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে জানান, প্রাক নিবন্ধন করেও সাড়ে ১২শ’ হজ গমনেচ্ছুর হজে যাওয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

তিনি জানান, ই হজ পদ্ধতির নতুন নিয়মে কোনো এজেন্সির মাধ্যমে একই পরিবারের একাধিক সদস্য প্রাক নিবন্ধন করতে ডাটা অ্যান্ট্রি করার সময় একটু বিলম্বের ফলে সিরিয়াল নম্বর হাজার হাজার পিছিয়ে গেছে। সিরিয়াল পিছিয়ে পড়ার কারণে কোটা পূরণ হয়ে যাওয়ায় তারা স্বভাবতই বাদ পড়েছেন।

কিন্তু তারা বাদ পড়ায় গোটা পরিবারের হজ করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক মাহরাম (মহিলাদের সঙ্গে যাওয়া অভিভাবক যার সঙ্গে মহিলার বৈবাহিক সম্পর্ক হারামও) রয়েছেন।

হাব সভাপতি জানান, তারা ইতোমধ্যেই নিবন্ধন জটিলতার শিকার ১ হাজার ২শ’ জনের একটি তালিকা তৈরি করে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়ে সমস্যা সমাধানের আবেদন জানিয়েছেন।

ধর্ম মন্ত্রণালয় বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন বলে তিনি জানান।

নিবন্ধনের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বেধে দেয়া সময় ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। ৯ জুন পর্যন্ত প্রাপ্ত এক হিসেবে দেখা গেছে, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৬৭২ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৬ হাজার ২৯ জনসহ মোট ৯০ হাজার ৭০১ জন নিবন্ধিত হয়েছেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় এখনও নিবন্ধন এখনও চলছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হাবের পক্ষ থেকে দেয়া সাড়ে ১২শ’ হাজির নিবন্ধনের আবেদনের তালিকা পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ইতোমধ্যেই যাচাইবাছাই সাপেক্ষে ২৫৬ জন মাহরামকে অনুমতি দেয়া হয়েছে।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সব মিলিয়ে চলতি বছর ৯১ সহস্রাধিক হাজিবে হজে পাঠানোর অনুমতি রয়েছে। হাবের পক্ষ থেকে দেয়া তালিকার অনেকের সিরিয়াল লাখের ওপরে। এ সব বিষয়ে করণীয় নিয়ে ধর্ম মন্ত্র্রণালয় কাজ করছে বলে ওই কর্মকর্তা মন্তব্য করেন।জাগো নিউজ