মেইন ম্যেনু

নিয়মিত এই পানীয় খাওয়ার উপকারিতা কী কী?

‘চার বোতল ভদকা, কাম মেরা রোজকা’। গানটি শুনলেই কান চাপা দেন? কিন্তু জানেন কি ভদকারো উপকারীতা আছে। অ্যালকোহল মানেই আস্তে আস্তে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া, এমনটাই মনে করেন অধিকাংশ মানুষ। তাই মদের নেশা ছাড়ানোর জন্য কত কিছুই না করতে হয়। নেশা মাত্রই খারাপ। সে মদের নেশাই হোক, বা চায়ের নেশা। কিন্তু মাঝে মধ্যে সঠিক পরিমাণ মত ভদকা খেলে পেতে আপনার লাভ ছাড়া ক্ষতি হবে না।

১) দিন দিন ওজন বাড়ছে? অথচ সপ্তাহে একদিন আপনার পার্টি করার অভ্যেস আছে? আর সেই পার্টিতে আপনার মদিরা চাই-ই। কিন্তু ডাক্তার বলে দিয়েছে ওজন কমাদে হলে ছাড়তে হবে মদ খাওয়া। কিন্তু জানেন কি ভদকাতে ক্যালোরির মাত্রা নেই বললেই চলে। তাই যথাযথ পরিমাণে আপনি ভদকা খেতেই পারেন ককারণ ভদকাকে ‘লো-ক্যালরি’ ডায়েটের মধ্যেই গণ্য করা হয়।

২) শরীরে রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা ঠিক রাখতে ভদকার অনেক ভূমিকা আছে। ভদকা রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়াকে অনেক সহজ অরে দেয়। ফলে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। রক্তচ্চাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৩) জ্বর হলে শরীরের তাপমাত্রা কমানোর জন্য কত কি না করা হয়। কিন্তু জানেন কি জ্বর হলে রোগীর পায়ে, বুকে ও কপালে যদি ভদকা লাগিয়ে দেওয়া যায় তাহলে শরীরের তাপমাত্রা কমতে থাকতে।

৪) ভদকা খেলে ডায়বেটিস ও অ্যালজাইমার্স হওয়ার সম্ভাবন অনেকটাই কমে যায়।
৫) এখন নতুন নতুন খাবারের বিভিন্ন রেসিপিতে অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়। রান্নায় যদি অল্প পরিমাণে ভদকা মিশিয়ে দিতে পারেন তাহলে সেই কাহবার তাড়াতারি হজম হয়ে যায়।
৬) আয়ুর্বেদিক ওষুধ প্রস্তুত করতে ভদকার জুড়ি মেলা ভার। গাছের মূল ও পাতা ভদকার মধ্যে ভিজিয়ে রাখা হয় অনেকক্ষণের জন্য।

৭) ব্যস্ত জীবনে সবাই কোন না কোন চাপে জর্জরিত। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে সবাইই চায় একটু শান্তি। অল্প পরিমাণে ভদকা স্ট্রেসমুক্ত হতে সাহায্য করে। তবে পরিমাণের কথা মাথায় রাখবেন।
৮) অনিদ্রায় ভোগেন এরকম মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তাদের জন্য ভদকা মহৌষধির মত কাজ করবে। অল্প পরিমাণে ভদকা খেলে ঘুম ভালো হয়।

৯) অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও ভদকা ভাল কাজে দেয়।
১০) একটি সমীক্ষা অনুযায়ী ভদকা সঠিক পরিমাণ মতো খেলে মৃত্যুহার কমে।