মেইন ম্যেনু

নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের আশায় বিএনপির নতুন বছর

সদ্য বিদায়ী বছরে দলের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোকে অগোছালো রেখে যাওয়াসহ নিয়মিত মামলা মোকাবিলার মধ্য দিয়ে পথ চলতে হয়েছে বিএনপিকে। তবে গত বছরেই দলের কাউন্সিল আয়োজন করে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা এবং শেষ দিকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে তাদের সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলীয় নীতি-নির্ধারকদের প্রত্যাশা, নতুন বছরে ‘গণতন্ত্র’ ফেরাবেন তারা। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের উদ্যোগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে চলমান সংলাপের দিকে সতর্ক নজর রাখছে বিএনপি। অন্তত আগামী ২০১৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করতে দলের নানামুখী তৎপরতা আরও বাড়বে বলে আশা করছেন বিএনপি নেতারা।খবর বাংলা ট্রিবিউনের।

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মনে করছেন, ‘নতুন বছরে বিএনপির প্রধান চ্যালেঞ্জ গণতন্ত্র ফেরানো।’ তার মতে, ‘এককথায় গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনাই প্রধান লক্ষ্য বিএনপির।’ তিনি যোগ করেন, ‘গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য যা যা করা দরকার, তাই করব। গণতন্ত্রহীন ও প্রায় একদলীয় শাসনব্যবস্থা থেকে বাংলাদেশকে বের করে আনাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এ জন্য সংগঠন ও জাতীয় ঐক্য বেশি প্রয়োজন। সে লক্ষ্যেই কাজ করছি।’

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে একমত পোষণ করেন বিএনপির অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান। চট্টগ্রামের এই প্রভাবশালী নেতা মনে করেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন হলেও নাগরিক প্রসঙ্গগুলোও প্রভাববিস্তারী হতে পারে। সেক্ষেত্রে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, ব্যাংকলুট, দুর্নীতিসহ বিভিন্ন বিষয় স্বাভাবিকভাবে সামনে আসবে। এ কারণে সরকারবিরোধী সব রাজনৈতিক দল বিএনপির নেতৃত্বে আন্দোলনে রাজপথে-মঞ্চে না এলেও অভিন্ন ইস্যুতে সমমনা দলগুলো স্ব-স্ব অবস্থানে থেকেই যেন আন্দোলন চালিয়ে যায়, বিএনপি সেই চেষ্টাই করবে। এ লক্ষ্যে বিএনপিকে মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা ও দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে সামনে আনতে হবে।’

বিগত বছরের বিএনপি

দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থেকে সাংগঠনিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বিএনপি। তবে সদ্য বিদায়ী বছরের ১৯ মার্চ দলের ষষ্ঠ কাউন্সিল করে এই বিপর্যয় কিছুটা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করে দলটি। কাউন্সিলের পর ৯ মাস পার হলেও নীতিনির্ধারণী ফোরামের ৩টি পদই শূন্য আছে। এই শূন্য পদগুলো পূরণে সমূহ-সম্ভাবনা সম্পর্কে অজ্ঞাত নেতারা। কাউন্সিলের তিন মাস পর কমিটি গঠিত হলেও দেখতে হয়েছে অসংখ্য পরীক্ষিত নেতার দলত্যাগ। একইসঙ্গে হাত ধরাধরি করে হেঁটেছে মামলা ও আদালতে হাজিরা দেওয়ার বিষয়টিও। পুরো বছরেই সকাল-দুপুর ও বিকাল আদালতে দৌঁড়াতে হয়েছে প্রায় সব নেতাকে। দলের ভেতরে আলোচনা আছে, যেকোনও সময় গ্রেফতার হতে পারেন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও। বছরের শেষ দিকে এসে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলেও হারতে হয়েছে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকে। নির্বাচনের দিন বিকাল পর্যন্ত সুষ্ঠু বললেও দলের মুখপাত্র রুহুল কবির রিজভী রাতে জানালেন, ‘ভোটগণনায় সমস্যা ছিল।’ এক সপ্তাহ পর দলীয় প্রধান খালেদা জিয়া অভিযোগ করলেন, ‘নাসিক নির্বাচন ওপরে ফিটফাট, ভেতরে ষড়যন্ত্র ছিল।’ তবে এর আগে নভেম্বরে নির্বাচন কমিশন গঠন ইস্যুতে রাষ্ট্রপতিকে উদ্যোগ নিতে আমন্ত্রণ জানানোর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিকভাবে সামনে আসে বিএনপি।

লক্ষ্য নিরপেক্ষ ইসি, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন

নতুন বছরের শুরুতেই বিএনপির পুরো মনোযোগ নির্বাচন কমিশনের ওপর। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের উদ্যোগ চলমান সংলাপের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা। তারা মনে করছেন, ইসি গঠনের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হবে, সরকার ২০১৯ সালের নির্বাচন বা ১৮ সালের শেষ দিকের নির্বাচন কেমন করবে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক কথায় বলেন, ‘গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য যা যা করা দরকার, তা-ই বিএনপি করবে।’

বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখছেন না বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রবীণ সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। তার মতে, ‘নির্বাচনে তো অংশ নিতে হবে। পলিটিক্স তো ছেড়ে দেওয়া যায় না। প্রতি সেঞ্চুরিতে একটা পার্টি হয়তো ৪ বার ক্ষমতায় আসবে, কিন্তু তাই বলে তো পলিটিক্স ছেড়ে দেওয়া যায় না। এ কারণে নির্বাচন কমিশন গঠন ও পরবর্তী নির্বাচনই বিএনপির লক্ষ্য থাকবে।’

স্থায়ী কমিটিতে নতুন মনোনীত হয়েছেন ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তার মন্তব্য, ‘দেশে গণতন্ত্র অনুপস্থিত। রুল অব ল’, মানবাধিকার, অর্থনীতি, গণতন্ত্রের বেসিক ফান্ডামেন্টাল কিছুই তো নেই। এই বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের চেষ্টা আমরা অব্যাহত রাখব। এ বছরেও রেখেছি, আগামী বছরেও রাখব। ফলে, একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন দেশের স্বার্থেই প্রয়োজন। এটা না করলে সরকার ভুল করবে। তাদের রাইট আছে কিন্তু গণতান্ত্রিক নিয়ম মেনে কিছু না হলে তাদের উদ্দেশ্য বুমেরাং হবে।’

বিএনপির শুভানুধ্যায়ী বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘নতুন বছরে বিএনপিকে ফোকাসপয়েন্ট ঠিক করে দলকে সংগঠিত করতে হবে। নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হলে তাদের দল-সংগঠন শক্ত করে মাঠে নামতে হবে। আর বড় দল হিসেবে একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনে বাধ্য করাও বিএনপির দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। অন্যদিকে সরকারকেও সহনশীল হতে হবে। দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।’

আসন ভিত্তিক একাধিক প্রার্থী চূড়ান্ত হবে

বিএনপির চেয়ারপারসন কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একাধিক সূত্রে জানা গেছে, নতুন বছরে বিএনপির নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে কাজ করছে। এক্ষেত্রে সংসদের আসনভিত্তিক একাধিক প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই প্রার্থীদের নাম প্রকাশ্যে আসবে। তবে এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নেতা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার অধীনে তিনজন নেতা এ কার্যক্রম প্রস্তুত করছেন। নিষেধ থাকায় এ নিয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।’

স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বলেন, ‘নির্বাচনি কার্যক্রম নির্বাচনের ছয় মাস আগে থেকে শুরু হয়। এখন প্রস্তুতি চলছে।’

সংগঠন গোছানোও কোন্দল দূর করা

নতুন বছরে বিএনপির চ্যালেঞ্জের মধ্যে দলীয় কোন্দল দূর করা এবং সংগঠন গোছানো অন্যতম। নেতাকর্মীরা বলছেন, কোন্দল দূর করতে না পারলে যেকোনও দাবি নিয়ে সরকারবিরোধী শক্তিশালী আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। নাসিক নির্বাচনকে তুলে ধরে বিএনপি নেতারা বলছেন, নাসিকে বিএনপির কোন্দলের কারণে দলীয় প্রার্থী ভোটবঞ্চিত হয়েছেন।

আবদুল্লাহ আল নোমান জোর দেন, সংগঠনের ওপর। তিনি বলেন, ‘সাংগঠনিক বিষয়গুলো নিয়ে ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে অনেক তথ্য উঠে এসেছে। এগুলো ইতিবাচক-নেতিবাচক যাই-ই হোক, সংগঠনকে এগুলো ডিল করতে হবে।’

ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলটের প্রত্যাশা, নতুন বছরে সংগঠন গোছানোই হবে বিএনপির সবচেয়ে বড় কাজ।

ছাত্রদলের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৬ সালের অক্টোবরে। চলতি বছরে দ্রুত কমিটি করার তাগাদ দিয়েছেন সংগঠনের অনেক নেতা। তাদের মতে, রাজিব আহসান ও আকরামুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ছাত্রদলে যেকোনও সময় কোন্দল প্রকাশ্যে আসতে পারে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার মনে করেন, ‘ছাত্র আন্দোলন নেই বলেই সরকার নিশ্চিন্তে ক্ষমতায় বসে আছে অগণতান্ত্রিকভাবে।’ ছাত্রদলকে শক্তিশালী করার পক্ষে মত দেন সংসদের সাবেক এই স্পিকার।

বিএনপির কয়েকজন নেতা জানান, কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দলত্যাগ করা ও নিষ্ক্রিয় নেতাদের ফেরাতে হবে। ইতোমধ্যে যারা অবসরে গেছেন, তাদের সঙ্গে বসতে হবে। দলের কাজে তাদের চিন্তা গ্রহণ করতে হবে।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন বলেন, ‘সারাদেশে তৃণমূল গঠনে কাজ চলছে। এটি আরও বেগবান হবে। একই প্রত্যাশা প্রকাশিত হলো আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের কণ্ঠেও। তার মতে, ‘নতুন বছরে বিএনপি গণতন্ত্রকে ফেরানোর লড়াইয়ের পাশাপাশি সংগঠনকেও শক্তিশালী করবে।’

পিএসসি ও দুদক পুনর্গঠনে প্রস্তাব

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন বিষয়ক প্রস্তাবের পর বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কারের প্রস্তাব দেবে বিএনপি। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আইনের সংস্কার, আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ ও শক্তিশালী নীতিমালা প্রণয়ন নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে দলটি। নতুন বছরেই সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোরও সংস্কার প্রস্তাব দেওয়ার চিন্তা রয়েছে বিএনপির নীতি-নির্ধারকদের।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘এটি তো খুব স্বাভাবিক, দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এখন সরকার পরিবর্তন হলে, প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেলে সরকারই পারফরমেন্স করতে পারবে না। এ কারণে রিফর্মস প্রোগ্রাম চলতে থাকবে। এ কারণে আমরা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি।’

মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের রাজনীতির পুনর্মুল্যায়ন

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান মনে করেন, ‘নতুন বছরে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান জনগণের কাছে আরও স্পষ্ট করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আওয়ামী লীগ একচেটিয়া ব্যবহার করছে। বিএনপি সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধাদের দল। এ বিষয়গুলোকে সামনে আনতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, জিয়াউর রহমানের যে আদর্শ ছিল, সেগুলোকে মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে।’

পরিবর্তনের প্রত্যাশা

নতুন বছরে গণতন্ত্র ফিরবে পাশাপাশি পরিস্থিতির অবসান ঘটবে বলে প্রত্যাশা করছেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা। তারা এও বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নতুন করে আস্থা ফিরবে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পাক। প্রথম কাজ হবে নির্বাচন কমিশনকে গঠন করে একটি সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া। সরকার এদিকেই নজর দেবে বলে আশা করি। দেশে গণতন্ত্রই মুখ্য। সব দলের রাজনৈতিক স্বাধীনতা বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। ২০১৭ সাল হবে পরিবর্তনের বছর। নতুন ইসি, নতুন পরিবেশ তৈরি হবে, এই প্রত্যাশা করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘দেশে নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি ফিরবে, গণতন্ত্রের জন্য প্রপোজাল, পাবলিক সংলাপ; এ সবই গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বছরে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক রাজনীতির উন্মেষ ঘটবে।’

যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যালবার্ট পি কস্টা মনে করেন, ‘স্বাভাবিক পরিস্থিতির ইঙ্গিত পাচ্ছি। এটি যেন দীর্ঘস্থায়ী হয়।’ চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান বলেন, ‘বিএনপির সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং লক্ষ্যে পৌঁছুবে। নতুন বছরের প্রত্যাশা, বিএনপির লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন আদায় করা।’

ছাত্রদলের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সরদার আমিরুল ইসলামের মতে, ‘গণতন্ত্র ফেরাতে হবে, বিএনপিকে মানুষের দাবি নিয়ে সামনে এগুতে হবে। আর বিএনপি মাঠে নামলেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে।’ সংগঠনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সহ-সম্পাদক খন্দকার ডালিয়া রহমান বলছেন, রাজনৈতিকর্মী হিসেবে আমার প্রত্যাশা, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হাত ধরে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরবে, মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা, গুম হয়ে যাওয়া ভাই-বোনেরা ঘরে ফিরবেন, পাশাপাশি কারাগারে আটক নেতাকর্মীরা পরিবারের সঙ্গে মিলতে পারবেন।’