মেইন ম্যেনু

নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস আগেই শেষ হচ্ছে চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় উড়াল সেতু নির্মাণ

নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৬ মাস আগেই চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় উড়াল সেতু আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ শেষ হচ্ছে। নতুন বছরের শুরুতে দেশের তৃতীয় বৃহত্তম ফ্লাইওভারটি উদ্বোধনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন প্রায় দুই হাজার শ্রমিক।

ঢাকার মত বন্দরনগরী চট্টগ্রামবাসীরও সব চেয়ে বড় দুর্ভোগ যানজট। শহরের মুরাদপুর, জিইসি, ওয়াসা এবং লালখানবাজার মোড়ে যানজট সারা বছরের চিত্র। এর থেকে উত্তরণে ২০১৪ সালে মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত ৫ দশমিক দুই কিলোমিটার দীর্ঘ আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

২০১৭ সালের জুনে ফ্লাইওভারটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ছয় মাস আগেই, আগামী জানুয়ারিতে মূল ফ্লাইওভারের কাজ শেষ হবে। নগরীর যানজটপ্রবণ এলাকায় ফ্লাইওভারটিকে আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষ। ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজের ৮০ শতাংশ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে।

ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, ফ্লাইওভারটি হবে চট্টগ্রামবাসীর জন্য অতি বাস্তবভিত্তিকি এবং উপযোগী একটি যাতায়াত ব্যবস্থা। চট্টগ্রামের যেসব এলাকায় যানজট ছিল সেসব এলাকা যানজট মুক্ত হবে এ ফ্লাইওভারের জন্য। আমরা যখন কোনো কাজে হাত দেই তখন চেষ্টা করি ওই কাজটিকে কতটা সুন্দরভাবে করা যায়।

৯৪টি পিলারের ওপর চার লেইনের আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের গার্ডার হবে ৯শ’টি। ফ্লাইওভারের দুই নম্বর গেইট অংশে হবে ওয়াই লুপ। আর জিইসি মোড়ে দু’টি র‌্যাম্প নির্মাণে ফ্লাইওভারের সুফল অনেক বাড়বে বলে আশাবাদী চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।