মেইন ম্যেনু

নিষিদ্ধ, তবু শ্যালা নদীতে চলছে ভারতীয় জাহাজ

কয়েলা জাহাজ ডুবে যাওয়ার পর থেকে সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু এ নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও চলছে ভারতীয় জাহাজ। বিষয়টি স্বীকার করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কয়লা ভর্তি জাহাজ ডুবে যাওয়ায় শ্যালা নদীতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে নৌ প্রটোকল চুক্তি অনুযায়ী কিছু কিছু ভারতীয় জাহাজ চলাচল করছে। সেগুলো অতিক্রম করার পর স্থায়ীভাবে শ্যালা নদীতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়া হবে।’

বুধবার সচিবালয়ে নৌ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নদী সংক্রান্ত এক সভা শেষে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

নৌমন্ত্রী বলেন, ‘গড়াই নদীকে ভরাট করে তিনটি রাস্তা করা হয়েছিল। সেই রাস্তাগুলো অপসারণ করা হচ্ছে এবং রাস্তার জায়গায় ব্রিজে করে দেয়া হবে। একটি ইকুপার্কও করে দেয়া হবে।’

উল্লেখ্য, গত ২১ মার্চ থেকে শ্যালা নদী দিয়ে নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। ফলে এখন থেকে শ্যালা নদীর পরিবর্তে মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথটি জাহাজ চলাচলে ব্যবহৃত হবে।

গত ১৯ মার্চ বিকেলে শ্যালায় কয়লাবোঝাই উপকূলীয় জাহাজডুবির (কোস্টার) পর বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত পরিচালক (নৌপথ) মো. জহিরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি দল পরদিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারপরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এদিকে ২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে অয়েল ট্যাংকার ডোবার পরও একবার এই নৌপথটি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছিল। তবে মংলা বন্দরের বিকল্প নৌপথ মংলা-ঘষিয়াখালী বন্ধ থাকায় কিছুদিনের মাথায় শ্যালা নৌপথটি পুনরায় চালু করে বিআইডব্লিউটিএ।