মেইন ম্যেনু

নিষিদ্ধ স্কুলের স্কোয়াডে ১১জনই ভাড়াটে ক্রিকেটার

জাতীয় স্কুল টুর্নামেন্টে বিধিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের জন্য শামসুল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার খবরটি পুরনো। তবে শাস্তির কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। রোববার সন্ধ্যায় বিসিবি জানাল কোয়ার্টার ফাইনালে ১১জন ভাড়াটে ক্রিকেটার খেলানোয় এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে।

প্রাইম ব্যাংক ইয়ং টাইগার্স জাতীয় স্কুল টুর্নামেন্টের সাফল্যমণ্ডিত দলগুলোর একটি শামসুল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। খেলাধুলায় বেশ সুনাম কুড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এবার কুড়াল কলঙ্কও। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, কাশীনাথ আলাউদ্দিন হাইস্কুলের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচের স্কোয়াডে শামসুল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ১৫ খেলোয়াড়ের ১১জনই রহিরাগত ছাত্র রেখেছিল। যা তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।

অভিযোগের ভিত্তিতে জরুরী বৈঠক করে বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্টের টেকনিক্যাল কমিটি। অভিযোগেরও সত্যতা পায় তারা। শাস্তি হিসেবে শামসুল হক স্কুলকে টুর্নামেন্ট থেকে ৫ বছর ও দলটির কোচ সাদ্দাম হোসেনকে বিসিবির সবধরনের কোচিং কার্যক্রম থেকে ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে। বাই লজের আর্টিকেল ৩-এর ‘সি’ ও ‘ডি’ ধারা লঙ্ঘন করায় এই শাস্তি দেয়া হয়।

স্কুল ক্রিকেটে অংশ নিতে পারে অনূর্ধ্ব-১৬ বয়সী ক্রিকেটাররা। এক্ষেত্রেও নিয়ম ভেঙেছে শামসুল হক। তাদের অন্তত ৭জন খেলোয়াড়ের বয়স ১৬-এর বেশি ছিল বলে বিসিবির তদন্তে উঠে এসেছে। অবৈধ পন্থা অবলম্বন করায় তাই কড়া শাস্তিই পেল রাজধানীর ডেমরার স্কুলটি।

শামসুল হক স্কুল নিষিদ্ধ হওয়ায় তাদের পরিবর্তে সেমিফাইনাল খেলেছে মৌলভীবাজারের কাশীনাথ আলাউদ্দিন হাই স্কুল। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে রোববার ইসদাইর রাবেয়া হোসেন হাই স্কুলকে ৭৭ রানে হারিয়ে ফাইনালেও উঠে গেছে কোয়ার্টারে হেরে আসা দলটি। শিরোপার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ বালিয়াপুর বিদ্যানিকেতন।

গত শুক্রবার জাতীয় স্কুল টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল শামসুল হক স্কুল ও কাশীনাথ আলাউদ্দিন হাইস্কুল। ম্যাচটা শামসুল হক স্কুল জিতেছিল ৪ উইকেট। এরপরই বিসিবি তদন্তে বেরিয়ে আসে তাদের জালিয়াতির কথা।

কয়েকদিন আগেই ঢাকার দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেটে ৪ বলে ৯২ রান ও ১.১ ওভারে ৬৯ রানের অনাকাঙ্ক্ষিত এক কাণ্ডে দুই ক্লাবকে আজীবন এবং দুই বোলারকে ১০ বছর নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তার জের কাটতে না কাটতেই দেশের ক্রীড়াঙ্গন দেখল আরেকটি নিষেধাজ্ঞার চিত্র।






মন্তব্য চালু নেই