মেইন ম্যেনু

নিষেধাজ্ঞার পরেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ ওষুধ

বাংলাদেশে ২০ টি ওষুধ কোম্পানির তৈরি সব ওষুধ এবং ১৪ টি কোম্পনির এন্টিবায়োটিক জরুরি ভিত্তিতে বাজার থেকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এসব কোম্পানির ওষুধ বাজারে বিক্রি হচ্ছে, এরকম একটি জনস্বার্থ মামলার রায়ে সোমবার আদালত সরকারকে এ নির্দেশ দেয়। বাংলাদেশে যে কোম্পানিগুলো নিম্নমানের ওষুধ উৎপাদন করছে তদের বিরুদ্ধে রিট পিটিশন দাখিল করলে আদালত সেই কোম্পানিগুলো বন্ধের নির্দেশ দেয়।

দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা বাঘেরহাটের একটি ওষুধের দোকানের মালিক মো. কামরুজ্জামান ওষুধ কোম্পানিগুলোর বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা সম্পর্কে বিবিসি বাংলাকে বলেন, মফস্বল এলাকায় এসব ওষুধ কোম্পানিগুলো এখনও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। অনেক ছোটখাট দোকারদাররা এই কোম্পানির ওষুধ কিনছে।

দোকানদারদের লভ্যাংশের লোভ দেখিয়ে এই নিষিদ্ধ কোম্পানিগুলো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। দোকানদাররা অতি মুনাফার আশায় ভালো-মন্দের বিচার না করেই ওষুধ রেখে দিচ্ছে। সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এটা জেনেও দোকানদাররা এই কাজটি করছে।

যারা ওষুধ বিক্রেতা আছেন, এই ওষুধগুলো নিষিদ্ধের বিষয়ে তারা কতটা জানেন?

জবাবে মো. কামরুজ্জামান বলেন, এই বিষয়ে খবর অনেকেই রাখে না। যারা বেশি সচেতন তার হয়তো এসব খবর রাখে। কিন্তু যারা ছোটখাটো দোকানদার গ্রামে থাকে তারা ব্যাপারটা জানেই না। এক্ষেত্রে আমি বিক্রেতাদের দোষ দেখি না। সরকার তাদের লাইসেন্স বাতিল করছে কিন্তু পরবর্তিতে যেসব পদক্ষেপ নেয়া দরকার সরকার সেটা নেয়নি।

যারা ক্রেতা, তারা কতোটা সচেতনতা? এবং নিষিদ্ধ ওষুধ সরাবরাহ বন্ধ না হওয়ার কারণ কী?

সে বিষয়ে তিনি বলেন, ক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতা আছে। যারা জানে তারা এসব কোম্পানির ওষুধ ক্রয় করে না এবং দোকানদারদের চার্জ করে আপনারা নিষিদ্ধ জিনিস দোকানে রাখেন কেন। কোম্পানি যদি ওষুধ তৈরি না করে তাহলে তো দোকানদাররা ওষুধ কিনতেও পারবে না, বিক্রিও করতে পারবে না। হাইকোর্ট থেকে রুল জারি করছে সেটা বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। সূত্র: বিবিসি বাংলা।