মেইন ম্যেনু

নিহত জিম্মিদের লাশ এখন সামরিক হাসপাতালের মর্গে

গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্টুরেন্টে কমান্ডো অভিযানের প্রায় ৯ ঘণ্টা পর সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের লাশ ১৩টি অ্যাম্বুলেন্সে করে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়েছে।

শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে ওই রেস্টুরেন্ট থেকে লাশগুলো বের করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে লাশগুলো সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর অগ্রভাগে সেনাবাহিনী এবং পেছনে পুলিশ, র‌্যাব, গোয়েন্দা সংস্থার বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন ছিল।

লাশ নিয়ে যাওয়ার সময়ে গুলশান থানার এডিসি মশিউর রহমান হাত মাইকে বলেন, বিপদ এখনো সরে যায়নি। এখনো সংশ্লিষ্ট এলাকা আশঙ্কার মধ্যে রয়েছে। সেজন্য পরবর্তী নির্দেশের আগে এই এলাকায় জনসাধারণের চলাচল বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার রাতে গুলশানের ওই রেস্টুরেন্টিতে হঠাৎ করে দুস্কৃতিকারীরা প্রবশে করে। বেশ কয়েকজন বিদেশিসহ জিম্মি হয়ে পড়ে কয়েকজন বাংলদেশিও। ঘটনার খবর পেয়ে তড়িৎ পুরো এলাকা ঘিরে রাখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রাতভর অপেক্ষা করে শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার পরপর সেনাবাহিনী, সোয়াত, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবির সমন্বয়ে অভিযান শুরু হয়। অভিযান শুরুর পর গুলির শব্দ শোনা যায়। ৪৫ মিনিটের মাথায় সকাল ৮টা ১৬ মিনিটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে। অভিযানের সময় সেখানে সেনাবাহিনীর প্রধান, নৌবাহিনীর প্রধানও উপস্থিত ছিলেন।

কমান্ডো অভিযানের পর সাজোয়া যান নিয়ে সেনাবাহিনী চলে গেলেও বিজিপি, র‌্যাব, পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্য রেস্টুরেন্ট ঘিরে রেখেছেন।