মেইন ম্যেনু

নীলফামারীর ডিমলায় বই উৎসবে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই

হামিদা আক্তার, ডিমলা (নীলফামারী) থেকে : সারাদেশে ন্যায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে আজ পহেলা জানুয়ারী (রবিবার) পাঠ্যপুস্তক বিতরণ উৎসব পালিত হয়েছে। জেলার ডিমলা উপজেলার ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের সকল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজ ১ জানুয়ারী বই উৎসব পালনে সকল শিক্ষার্থীর হাতে হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে। উপজেলার সদরে মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-১ (ডোমার- ডিমলা) আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার। এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তবিবুল ইসলাম. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম, জেলা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল হক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম প্রমূখ। বই উৎসবে উক্ত বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আসাদুজ্জামান জুয়েলের সঞ্চালনায় উৎসবের শুভ উদ্ভোধন ঘোষনা করেন সাংসদ আফতাব উদ্দিন সরকার। উৎসব মুখর পরিবেশে শিক্ষার্থীরা নতুন বই হাতে পেয়ে খুবই খুশি। এ সময় সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তৃতা করেন প্রধান অতিথি বিশেষ অতিথি ও অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ।
জানা যায়, বিদ্যালয়গুলোর চাহিদা অনুযায়ী নীলফামারী জেলায় ১৮ লাখ ২১ হাজার ৫৯৩ কপি নতুন বইয়ের চাহিদা পাঠানো হয়েছে বলে জেলা শিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। সূত্রে জানা যায, ২০১৭ সালে সরকারের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তুক বিতরণের জন্য ৬ উপজেলায় ১ জানুযারী ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার ২১৩ ছাত্র-ছাত্রীকে নতুন বই দেয়া হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদার প্রেক্ষিতে ডোমার উপজেলায় ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫’শ, ডিমলা উপজেলায় ২ লাখ ৮৯ হাজার ৮০৯, জলঢাকা উপজেলায় ৪ লাখ ২৫ হাজার ৬১০, কিশোরীগঞ্জ উপজেলায় ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৫০ , সৈয়দপুর উপজেলায় ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮২৫ এবং নীলফামারী সদর উপজেলায় ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৯৮০ কপি বই ইতি মধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতে পাঠানো হয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী জেলায় মোট নতুন বইয়ের পরিমাণ ১৮ লাখ ২১ হাজার ৫৯৩ কপি। এর মধ্যে নীলফামারী জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১ হাজার ৪৪, কিন্ডার গার্টেন (কেজী) স্কুলের সংখ্যা ২৮৮, বিভিন্ন এনজিও পরিচালিত বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬১৪ টি, নন-রেজিস্টার্ড বিদ্যালয় ১৫৬টি সহ ইংরেজি ভার্সন ৪টি বিদ্যালয়ে নতুন বই বিতরণ করা হচ্ছে । জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী ৬ টি উপজেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে শত ভাগ বই বিতরণ লক্ষ্যে নতুন বই পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, পহেলা জানুয়ারী সকাল থেকেই নতুন বছরের প্রথম দিনের শুরুতেই জেলা ও উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে নতুন পাঠ্যপুস্তক বই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি,বেসরকারী প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়গুলিতেও একযোগে শিক্ষার্থীদের হাতে ক্লাশের নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।