মেইন ম্যেনু

পড়া বোঝে না, হইচই ফেলে দেওয়া বিস্ময় শিশুকে নিয়ে বিতর্ক

অনন্যার এই কৃতিত্বে বাধ সাধল উত্তরপ্রদেশের শিশু অধিকার রক্ষা দফতর। চার বছর আট মাস একুশ দিন বয়সে নবম শ্রেণিত ভর্তি হয়েছিল অনন্যা।

কয়েকদিন আগেই উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের বাসিন্দা চার বছরের অনন্যা বর্মা সংবাদ শিরোনামে এসেছিল। কারণ এই বয়সেই উত্তর প্রদেশে শিক্ষা দফতর থেকে অনন্যাকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

বলা হয়েছিল, চার বছরের অনন্যা তার সমবয়সি শিশুদের তুলনায় অনেক পরিণত। সে স্বচ্ছন্দে উঁচু শ্রেণির পাঠক্রমের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছিল বলেই দাবি করা হয়েছিল। যে স্কুলে সে ভর্তি হতে চেয়েছিল, সেই স্কুল কর্তৃপক্ষও অনুমতি দিয়েছিল। তবে এই প্রথম নয়, অনন্যার দাদা এবং দিদিও একই ধরনের বিরল প্রতিভার অধিকারী।

কিন্তু অনন্যার এই কৃতিত্বে বাধ সাধল উত্তরপ্রদেশের শিশু অধিকার রক্ষা দফতর। চার বছর আট মাস একুশ দিন বয়সে নবম শ্রেণিত ভর্তি হয়েছিল অনন্যা। কিন্তু এই শিশুটির সঙ্গে দেখা করার পরে শিশু অধিকার দফতরের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, স্বচ্ছন্দে নবম শ্রেণির বই পড়তে পারলেও কী পড়ছে, তার স্পষ্ট কোনও ধারণাই নেই অনন্যার। ফলে এখনই সে নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করার যোগ্য নয় বলেই মনে করছেন সরকারি বিশেষজ্ঞরা।

সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকের খবর অনুযায়ী, অনন্যাকে এবার বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মেধা পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে। এছাড়াও তাকে মনোবিদদের কাছেও নিয়ে যাওয়া হবে। অনন্যার কোন ক্লাসে পড়াশোনা করা উচিত, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েই তা ঠিক করা হবে।

একই সঙ্গে শিক্ষা দফতরের যে ইন্সপেক্টর অনন্যাকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির ছাড়পত্র দিয়েছিলেন, তাঁর জবাবদিহিও চাওয়া হয়েছে। কীসের ভিত্তিতে তিনি এই শিশুটিকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির ছাড়পত্র দিয়েছিলেন, সেই ব্যাখ্যা তলব করেছে শিশু অধিকার রক্ষা দফতর।-এবেলা