মেইন ম্যেনু

পদ্মাসেতু নির্মাণে বাংলাদেশ সক্ষমতা দেখিয়েছে : বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব অর্থায়নে বাংলাদেশ সরকার পদ্মাসেতু নির্মাণ করে তাদের সক্ষমতা দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কৌশিক বসু।

মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু বাংলাদেশের জন্য সুখবর। ‘গুড নিউজ আফটার ব্যাড হিস্ট্রি।’

পদ্মাসেতুর ইস্যুতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের মতবিরোধের বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি বলেন, এ নিয়ে হিস্ট্রি হয়তো খারাপ, তবে এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারবো।

চারদিনের বাংলাদেশ সফরের শেষ দিনে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে পদ্মাসেতুর ঋণ নিয়ে সরকারের সঙ্গে টানাপোড়েনের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এরপর বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে এটা (পদ্মাসেতু নির্মাণ) করছে। তাদের নিজের অর্থায়নেই। আউটকাম হ্যাজ বিন গুড’।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে। অর্থনীতির সূচকগুলো তাই বলছে। বাংলাদেশ নিউ এশিয়ান টাইগার অব দ্য ওয়ার্ল্ড।

বাংলায় অভিজ্ঞ বিশ্বব্যাংকের প্রধান এ কর্তা এ সময় বলেন, তর তর করে বাংলাদেশ এগোচ্ছে। বিশ্বমন্দার মধ্যেও বাংলাদেশের গ্রোথ বেশ ভালো।

পোশাক শ্রমিকদের ‘পোশাক শিল্পী’ উল্লেখ করে কৌশিক বসু বলেন, একটা গার্মেন্টসে গেলাম আজ। সেখানে দেখলাম ১০ হাজার শ্রমিক মোবাইলে আর্থিক লেনদেন করছে। দু-এক মিনিটের মধ্যে তারা টাকা পাঠিয়ে দিতে পারছে।

তিনি বলেন, কিছু সমস্যা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো। ৩ বছরে জিডিপি ৮ শতাংশ হওয়া অসম্ভব নয়। পলিটিক্যাল স্ট্যাবেলিটি বাড়লে দেশে ইনভেস্টমেন্ট বাড়বে।

দেশের ভেতর যেসব অর্থনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না বলে সমালোচনা করেন তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সমালোচনা ভালো। সমালোচনা সংশোধনের রাস্তা দেখায়। তবে যারা সমালোচনা করছেন তাদের পরিসংখ্যান দেখতে হবে। এটা দেখলে বুঝবে অন্য অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থা ভালো।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, আমরা এখন সবুজ অর্থনীতির দিকে যাচ্ছি। অর্থনীতিকে আরও কীভাবে গ্রিন করা যায় তা ভাবছি।

তিনি বলেন, গত মাসের চেয়ে এ মাসে ১৪ শতাংশ এক্সপোর্ট বেড়েছে। দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল। যেকোনো সময় উন্নয়নের উড়োজাহাজ আকাশে উড়বে।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।



« (পূর্বের সংবাদ)