মেইন ম্যেনু

পরকীয়া প্রেমের টানে দেবরের সাথে ভাবী উধাও

চট্রগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সুখছড়ি হাছির পাড়া এলাকার পরকীয়া প্রেমের টানে সৌদি প্রবাসী আজিজুুল হকের স্ত্রী সুমি আকতার(২২) কে নিয়ে ওই এলাকার সরোয়ার কামালের পুত্র মোহাম্মদ হাছান(২২) কৌশলে পালিয়েছে। গত ২২ এপ্রিল এই ঘটনাটি ঘটেছে।

এ ব্যাপারে প্রবাসী আজিজুল হকের বাবা মৃত আবদুল আলীর পুত্র আবদুল শুক্কুর (৬৫) বাদী হয়ে ওই এলাকার সরোয়ার কামালের পুত্র দেবর মোহাম্মদ হাসান(২২), প্রবাসীর স্ত্রী প্রেমিকা সুমি আক্তার(২২),আলী আহমদ সওদাগের পুত্র সরোয়ার কামাল(৫৮) ও তার স্ত্রী জান্নাত আরা বেগমসহ আরো অজ্ঞাতনামা ২/৩জনকে বিবাদী করে লোহাগাড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যার পিপিআর নং ২০৪,২৩/০৪/২০১৬ ইংরেজী।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে,উল্লেখিত বাদী আবদু শুক্কুরের পুত্র আজিজুল হক বিগত ২০১৪ সালের ২৬ এপ্রিল ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের খাঁন মোহাম্মদ সিকদার পাড়া এলাকার বজলুর রহমানের কন্যা সুমি আক্তারের সাথে বিয়ে সম্পন্ন হয়।বিবাহের ২ বছর পর আর্থিক স্বচ্ছলতার জন্য আজিজুল হক বিদেশে পাড়ি জমান।হাছান তাদের নিকটতম আত্নীয় হওয়ার সুবাদে তাদের বাড়ীতে আসা যাওয়ার করত। সেই সুবাদে সু-কৌশলে হাছান তার পুত্রবধূর সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে তুলে। বিষয়টি পরিবারের লোকজন জানতে পারলে হাছানকে তার ভাবীর সাথে মেলামেশা না করতে সাবধান করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ভাবী দেবরের পরকীয়া প্রেম আরো বেশী গভীর হয়ে যায়।

এক পর্যায়ে পুর্ব পরিকল্পিতভাবে গত ২২ এপ্রিল সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬ টায় বাড়ীতে হতে কৌশলে আমিরাবাদ নিয়ে এসে প্রবাসীর স্ত্রী সুমি আকতারকে নিয়ে দেবর হাছান পালিয়ে যায়।

অভিযোগ সুত্রে আরো জানা যায়, উক্ত প্রবাসীর স্ত্রী বাড়ি হতে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ঘরের আলমারীতে থাকা প্রায় ২০ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার যার মুল্য আনুমানিক ৮ লক্ষ টাকা,নগদ ২ লক্ষ টাকা ও ২ টি স্যামসাং মোবাইল সেট যাহার মুল্য ৬০ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ১০ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। এ ঘটনায় এলাকার চাঞ্চল্যকর পরিস্তিতি সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগকারীর জামাতা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম চৌধুরী উক্ত প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন,হাছান সু-কৌশলে তার সমন্দীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়েছে। এ সময় বাড়ীতে থাকা স্বর্ণালংকারসহ নগদ টাকা নিয়ে যায় বলেও তিনি জানান। প্রবাসী আজিজুল হকের পিতা আবদু শুক্কুর জানিয়েছেন,হাছানকে তারা নিজের সন্তানের মত জানতেন।এ রকম একটা কাজ করবেন এটাই তারা কোনদিন কল্পনাও করেননি।

অন্যদিকে,অভিযুক্তকারীদেরকে মু্ঠোফোনে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্যে নেওয়া সম্ভব হয়নি।