মেইন ম্যেনু

‘পরপুরুষ স্পর্শ করার চেয়ে মেয়ের ডুবে মরাই ভালো’!

ডুবে মারা যাচ্ছেন তরুণীটি। বাঁচার আকুতিতে চিৎকার করছেন। দুজন উদ্ধারকারী সঙ্গে সঙ্গে ছুট লাগালেন সেদিকে, কিন্তু তাঁদের পথ রুখে দিলেন মেয়েটির বাবা। কারণ, পরপুরুষ স্পর্শ করার চেয়ে মেয়ের ডুবে মরে যাওয়াই ভালো বলে মনে করেন তিনি!

আপনি যদি এটিকে কোনো হরর ছবির কাহিনী মনে করেন, তাহলে ভুল করছেন। জলজ্যান্ত বাস্তব ঘটনা এটি। ঘটেছে দুবাইয়ের একটি সমুদ্রসৈকতে। মেয়েটির বাবা মেয়েকে ডুবে মরতে দিয়েছেন, কিন্তু উদ্ধারকারীদের সাহায্য করতে দেননি। এ ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ গ্রেফতার করেছে ওই এশীয় ব্যক্তিটিকে। ইন্ডিয়া টাইমসে প্রকাশিত খবরে জানা গেল এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা।

দুবাই পুলিশের সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ বিভাগের এক কর্মকর্তা এ বিষয়ে কথা বলেছেন স্থানীয় গণমাধ্যম এমিরেটস ২৪/৭-এর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এই ঘটনায় আমরা স্তম্ভিত। এই এশিয়ান ব্যক্তিটি পরিবারের সবাইকে নিয়ে পিকনিক করছিলেন সৈকতে। বাচ্চারা সবাই সৈকতের পাশে সাঁতার কাটছিল। হঠাৎ করেই মেয়েটি ডুবতে শুরু করে। তখন সে সাহায্যের জন্য চিৎকার শুরু করে দেয়। সেখানে দুজন উদ্ধারকাজে নিয়োজিত ‘রেসকিউ ম্যান’ ছিলেন, তাঁরা সাহায্য করতে ছুটে যান। কিন্তু পথে বাধা দেন মেয়েটির বাবা। এই এশিয়ান লোকটির ধারণা, এই ‘অপরিচিত’ লোকেরা মেয়েকে স্পর্শ করলে মেয়েটির সম্মানহানি হবে। পরে মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে।”

এই ঘটনার পরপরই লোকটিকে গ্রেফতার করা হয়নি। পরে তিনি নিজেই বলেছেন যে, অচেনা কোনো পুরুষ স্পর্শ করার চেয়ে তিনি নিজের মেয়ের মরে যাওয়াকেই ভালো মনে করেন। এই কথার পরপরই পুলিশ মেয়ের বাবাকে গ্রেফতার করে।