মেইন ম্যেনু

পরমাণুবোমা বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে রাশিয়া

মস্কো-ওয়াশিংটন সম্পর্ক টানাপড়েনের মাঝে আন্তঃমহাদেশীয় তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে রাশিয়া। সিরিয়া ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটেছে। এর মাঝেই এসব অত্যাধুনিক এবং শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়েছে।

এর আগে, বুধবার রাশিয়ার গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, বিদেশে থাকা রাশিয়ার নাগরিকদেরকে দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্টে ভ্লাদিমির পুতিন। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হতে পারে এমন আশঙ্কার মাঝে পুতিন ওই নির্দেশনা দিয়েছেন বলে ব্রিটেনের প্রভাবশালী দৈনিক ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয় বলছে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌ বহরের একটি সাবমেরিন থেকে পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম একটি রকেট নিক্ষেপ করেছে সেনাবাহিনী। জাপানের উত্তরে অখস্তোক এলাকায় গিয়ে এটি সফলভাবে আঘাত হানে। এরপর ব্যারেন্ট সাগরের সাবমেরিন থেকে একটি তোপোল ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়।

এ ছাড়া তৃতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি দ্বীপ থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর মিসাইলই সফলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে বলে রুশ সেনাবাহিনী জানিয়েছে।

রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু বলেছেন, দেশের সামরিক মহড়াকে বিশ্ববাসীর সামনে হুমকি হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে পশ্চিমা বিশ্ব। তবে এসব মহড়া উদ্বেগের কোনো কারণ নয় বরং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণের অংশ।

এদিকে, এমন এক সময় রুশ প্রেসিডেন্ট নাগরিকদের বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে মাতৃভূমিতে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছেন; যখন সিরিয়া যুদ্ধ নিয়ে উত্তেজনার জেরে মঙ্গলবার নির্ধারিত ফ্রান্স সফর স্থগিত করেছেন পুতিন। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা মিখাইল গর্ভাচেভ সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মাঝে ক্রমবর্ধমাণ উত্তেজনায় বিশ্ব ভয়াবহ ঝুঁকিতে রয়েছে।