মেইন ম্যেনু

পররাষ্ট্র মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে মিটলো বউ-শাশুড়ির ‘কাইজা’!

বই-শাশুড়ির ঝগড়া নতুন কিছু নয়, এটি চিরকালীন বাস্তব। আর সেই বিবাদকে থামাতে কিংবা উসকে দিতে আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী, ননদ-জায়ের ভূমিকাই সমাজপ্রসিদ্ধ। কিন্তু এই প্রথমবার বউ-শাশুড়ির বিবাদে নাক গলালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী!

খোলসা করে বলতে গেলে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ নাক গলালেন উত্তরপ্রদেশের চাঁন্দেল পরিবারের গৃহবিবাদে। রুশ গৃহবধূ ওলগা এফিমেঙ্কোভা এবং শ্বাশুড়ি নির্মলা চান্দেলের বিবাদ মিটিয়ে শাশুড়ি-বউকে আলিঙ্গনে বাঁধলেন সুষমা।

ঘটনা হল, ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণে সর্বস্বান্ত বিক্রন্ত সিং চাঁদেল উপায় না দেখে তার স্ত্রী (ওলগা) ও মেয়েকে পৈতৃক ভিটে আগ্রায় গিয়ে ওঠেন। কিন্তু বিদেশিনী বৌমাকে কিছুতেই মেনে নেননি শাশুড়ি, বিক্রন্তের মা নির্মলা। ফলাফল, ওলগার উপর অত্যাচার এবং দশ লাখ রুপি পণ চাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। তার পর বাড়ি থেকে কার্যত বের করে দেয়া হয় তাদের।

এই জটিল পারিবারিক পরিস্থিতিতে অনেক মেয়েই রণে ভঙ্গ দিতেন। কিন্তু রুশ রক্ত প্রবাহিত ওলগার শিরায়। তিনি শ্বশুর বাড়ির সামনে অনশন ধর্নায় বসলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যা নজরে পড়ল সুষমার।

দেখা মাত্রই, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবকে ট্যাগ করে তিনি টুইটে লেখেন, ‘অখিলেশজি, এই ভদ্রমহিলাকে দয়া করে সাহায্য করুন।’

অখিলেশও অবশ্য সুষমার আবেদনে দলমতের বিচার না করেই আগ্রা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তা এবং পুলিশ নিয়ে পৌঁছে যান চান্দেলের বাড়ি। ওলগাকে নিয়ে পরিবারের সঙ্গে চার ঘণ্টা সময় কাটিয়ে মন নরম করেন নির্মলার। এরপর হাসিমুখে ছবিও তুলতে দেখা গিয়েছে শাশুড়ি বউমাকে।

অখিলেশ নিজেও সেই ছবি রিটুইট করে সুষমাকে জানিয়ে দেন, ওলগা শ্বশুরবাড়িতে শান্তিপূর্ণভাবে ঠাঁই পেয়েছেন। বাড়ির একটা অংশও তারা ব্যবহার করতে পারবেন।