মেইন ম্যেনু

পরিচিত মশলার ৫টি ভিন্ন ব্যবহার

মশলা ছাড়া রান্না? চিন্তাই করা যায় না! রান্নার স্বাদ এবং গন্ধ বৃদ্ধিতে মশলার জুড়ি নেই। দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা, লবঙ্গ, হলুদ কত রকম মশলাই না আমরা রান্নায় ব্যবহার করে থাকি। রান্না ছাড়াও এই মশলাগুলোর রয়েছে কিছু স্বাস্থ্যগত ব্যবহার। রান্নাঘরের এই মশলাগুলো সারিয়ে দিয়ে পারে অনেকগুলো রোগ।

১। হিং
এটি উষ্ণ প্রকৃতির হওয়ায় খাবারের এনজাইম দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে। পানির সাথে এক চিমটি হিং মিশিয়ে পান করুন। এটি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। এমনকি রক্তচাপ কমাতেও এটি বেশ কার্যকর।

২। হলুদ
অনেকগুলো রোগের প্রতিষোধক বল হয় হলুদকে। কারকিউমন নামক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হলুদে বিদ্যমান, যা রক্ত প্রবাহ বাঁধা সৃষ্টি করার উপাদানসমূহ দূর করে দিয়ে থাকে। এমনকি হলুদ চা বাত ব্যথা নিরাময় করতে বেশ কার্যকরী।

৩। দারুচিনি
দারুচিনি খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে এবং ভাল কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে থাকে। এটি গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে থাকে। দারুচিনি এবং মধু ওজন হ্রাস করতেও সাহায্য করে। এছাড়া কিছু মোম, সমপরিমাণ দারুচিনির গুঁড়ো, আদা গুঁড়ো এবং জয়ফল গুঁড়ো মিশিয়ে সুগন্ধি মোম তৈরি করা সম্ভব।

৪। এলাচ
এলাচ খাবারের রুচি তৈরি করার সাথে সাথে হজমশক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দেহে বুক জ্বালাপোড়া, হেঁচকি, পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে থাকে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও দারুচিনির ব্যবহার করা হয়। দারুচিনি গুঁড়ো গরম পানির সাথে মিশিয়ে, সেটিকে মাউথওয়াশ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

৫। গোলমরিচ
গোলমরিচে পাইপরাইন উপাদান আছে যা নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সার, হৃদরোগ, রক্তচাপ কমানোর পাশাপাশি বাত ব্যথা দূর করে থাকে। সারা রাত গোলমরিচ ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালের নাস্তার সাথে এটি খান। মাইগ্রেইনের ব্যথা কমাতে এটি বেশ কার্যকরী। যেকোন প্রকার ইনফেকশন এবং পোকা কামড়ের ক্ষেত্রে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান হিসেবে কাজ করে।