মেইন ম্যেনু

পর্দার আড়ালে খারাপ কাজ-হোটেল থেকে গ্রেফতার ৭ নায়িকা

হাইপ্রোফাইল খারাপ কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে বলিউড অভিনেত্রী শ্বেতা বসু প্রসাদকে পুলিশ হাতেনাতে গ্রেফতার করে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই সোনালী পর্দার আড়ালের অন্ধকার জনসমক্ষে বেরিয়ে এসেছে। এই প্রথম যে কোন বিখ্যাত অভিনেত্রী খারাপ কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন তা একেবারেই নয়। এরআগেও অনেক নায়িকাও এই কাজে জড়িত ছিলেন যাদের পুলিশ গ্রেফতার করেছিল।

যদিও শ্বেতার মত ভারতীয় রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত একজন অভিনেত্রীর এই ধরণের কাজে লিপ্ত থাকাটা স্বভাবতই অবাক করা। কিন্তু এটাই বোধ হয় এই জাঁকজমকের দুনিয়ার বাস্তব সত্য। বিখ্যাত তামিল অভিনেত্রী ভুবনেশ্বরীও হোটেল খারাপ কাজে জড়িত ছিলেন৷ এই অভিযোগে দুই মডেলের সঙ্গে চেন্নাই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল এই অভিনেত্রীকে।

ভুবনেশ্বরীর সম্পর্কে পুলিশকে জানিয়েছিল, হোটেলে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন লোকের আসা যাওয়া লেগে থাকে। এরপরেই পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। তদন্তে জানা যায় ভুবনেশ্বরীর এই কাজের সঙ্গে তামিল ও তেলেগু ছবির অভিনেত্রীরাও রয়েছেন।

তামিল ছবির অপর অভেনত্রী এষা আনসারিকেও যোধপুর পুলিশ হোটেল থেকে খারাপ কাজ করা রত অবস্থায় গ্রেফতার করে। এশাকে তার তিন পুরুষ সঙ্গীর গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশি তদন্তে জানা যায়, এশা দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহকদের নারী পরিষেবা দিতেন। ইন্টারনেটের মাধ্যমেই এশার এই কাজ চালাত। এই অভিনেত্রী বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘ওম শান্তি ওম’ ও ‘চলতে চলতে’ ছবিতে কাজ করেছেন।

‘লাইফ কি তো নিকল পরি’ ছবি দিয়েই বলিউডে এন্ট্রি নিয়েছিলেন অভিনেত্রী মিষ্টি মুখার্জি। মিষ্টিকেও খারাপ কাজের অভিযোগে মুম্বাই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। ফ্যাশন ডিজাইনার রাকেশ কটোরিয়ার সঙ্গে আপত্তিজনক অবস্থায় ধরা পড়েন মিষ্টি৷ ১৫ তলার এই ফ্ল্যাটবাড়ি উদ্ধার হয় প্রায় একলক্ষ নীল ছবির সিডি ও ডিভিডি। পুলিশ মিষ্টির সঙ্গে তার বাবা ও ভাইকেও গ্রেফতার করে। কারণ খারাপ কাজের সঙ্গে মিষ্টির গোটা পরিবারই জড়িত ছিল৷

এই তালিকায় রয়েছে বিখ্যাত অভিনেত্রী যমুনার নামও। শারীরিক খারাপ কাজের অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে৷ ক্রাইম ব্রাঞ্চের পুলিশ আট যুবতী ও একগ্রাহকের সঙ্গে অভিনেত্রী যমুনাকে গ্রেফতার করে৷

তেলেগু ধারাবাহিকের বিখ্যাত অভিনেত্রী শ্রবণীকে গ্রেফতার করা হয়৷ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি একটি হাই প্রোফাইল যুক্ত ছিলেন। পুলিশের তদন্তকারী দল তার হোটেলে তল্লাশি চালিয়ে তাকে হাতে নাতে গ্রেফতার করে। এছাড়াও অপর এক তেলেগু অভিনেত্রী সায়রা বানো ও জ্যোতিও খারাপ কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১০ সালে হায়দরাবাদ পুলিশ স্প্রিং স্বর্গ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে এই র‍্যাকেটের পর্দাফাঁস করে৷






মন্তব্য চালু নেই