মেইন ম্যেনু

পর্নোতারকার সঙ্গে মাসব্যাপী হোটেলে কাটানোর পুরস্কার জিতল কিশোর!

একটি অনলাইন গেম প্রতিযোগিতায় নাম দিয়েছিল ১৬ বছরের ছাত্রটি। জিতেও গিয়েছে। কিন্তু পুরস্কারটি শুনেই তার চোখ ছানাবড়া।

প্রথমে তো বিশ্বাসই করতে পারছিল না। এমনও পুরস্কার হয়! কী পুরস্কার? এক নামী পর্নোতারকার সঙ্গে বিলাসবহুল হোটেলে এক মাস কাটানোর সুযোগ। হ্যাঁ, রাশিয়ার কিশোর রুশলান শেদরিনের সঙ্গে এমনই ঘটেছে।

মস্কোর অন্যতম সেরা হোটেলে রাশিয়ার অন্যতম সেরা পর্নোতারকার সঙ্গে একমাস কাটানোর সুযোগে যারপরনাই উচ্ছ্বসিত ওই কিশোর। এখনও স্কুলের গণ্ডি পেরোয়নি সে। পড়াশোনা, খেলাধুলো আর কম্পিউটার নিয়েই কেটে যায় দিন।

একদিন অনলাইনে একটি প্রতিযোগিতার হদিশ পায় রুশলান। কিছু সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কের প্রশ্নের উত্তরদিলেই আকর্ষণীয় পুরস্কার। কোনও কিছু না ভেবেই সে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। কী পুরস্কার রয়েছে, তা জানত না। অনলাইন সংস্থাটিও খোলসা করেনি। প্রশ্নের উত্তরগুলি দিয়ে সে জিতেও যায়।

হঠাত্‍‌ একটি মেইল পায় সে। তাতে লেখা, পুরস্কার বাবদ রুশলান পেয়েছে, রাশিয়ার অন্যতম নামী পর্নোতারকা একাতেরিনা মাকারোভার সঙ্গে একমাস মস্কোর একটি বিলাসবহুল হোটেলে কাটানোর সুযোগ।

প্রথমে বিশ্বাসই করেনি রুশলান। ব্যাপারটাকে উড়িয়ে দেয়। দু’দিন পরে ওই অনলাইন সংস্থার লোক বাড়িতে এসে পুরস্কারের কথা জানিয়ে যেতেই চোখ ছানাবড়া হয়ে যায় কিশোরের। কৈশোর ও যৌবনের সান্নিধ্যে এহেন পুরস্কার সে আনন্দে আত্মহারা।

রুশলানের কথায়, ‘আমি প্রথমে তো বিশ্বাসই করতে চাইছিলাম না। তারপর যখন জানলাম, সত্যিই আমি মাকারোভার সঙ্গে একমাস কাটাবো, আমি তো আনন্দে লাফাতে শুরু করেছিলাম। ওই ওয়েবসাইটকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’

কিন্তু ছেলের এহেন পুরস্কারে রেগে আগুন মা। রুশলানের মা ভেরা শেদরিনের কথায়, ‘আমি এসবের একেবারে বিরুদ্ধে। ওর সামনে পরীক্ষা। পড়াশোনা করছে। একমাস তো দূরের কথা, এক সপ্তাহও কাটানো উচিত নয়। ভাবতে পারছেন, একজন পর্নোতারকার সঙ্গে একমাস। এটা হতেই পারে না। এর থেকে ওকে যদি ১০ হাজার রুবল পুরস্কারমূল্য দিত, তাহলে ওর পড়াশোনায় কাজে লাগত।’

যদিও মা-কে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী কিশোর রুশলান। মাকারোভাকে তার বেশ পছন্দ হয়েছে। বলছে, ‘আমি মাকারোভার সঙ্গে দেখা করিনি। তবে ছবিতে দেখলাম, দারুণ ফিগার। আমার তো ভিতরে ভিতরে ফুটছে।’

আর মায়ের সমস্যা নিয়ে তার বক্তব্য, ‘ও মাকে আমি ঠিক ম্যানেজ করে নেব। নিজেদের মধ্যে কথা বলে বিষয়টা ঠিক হয়ে যাবে। তা বলে এমন সুযোগ আমি ছাড়তে পারব না।’

আর পর্নোতারকা মাকারোভার প্রতিক্রিয়া, ‘রুশলানের সঙ্গে আমার দেখা হয়নি। তবে ১৬ বছর বয়সই তো স্বাধীন হওয়ার উপযুক্ত সময়। আমরা প্রথমে মস্কোয় যাব। তারপর রুশলান যা ঠিক করবে, সেখানেই দু’জনে কাটাবো।’ সূত্র: এইসময়