মেইন ম্যেনু

ঈদকে সামনে রেখে

পাঁচবিবি সীমান্তে মাদক সহ ভারতীয় পণ্য পাচারে সক্রিয় চোরাকারবারীরা

তোহা আলম প্রিন্স ॥ পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তে মাদক সহ ভারতীয় পণ্য পাচারে সক্রিয় হয়ে পড়েছে চোরাকারবারীরা। এসব কাজে ব্যবহার হচ্ছে শিশু, কিশোর, মহিলা সহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। আটাপাড়া ও কয়া সীমান্তের জিরো পয়েন্ট ঘেঁষা ঘন বসতি গ্রাম, যে খানে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা, হেরোইন, ফেনসিডিলসহ নানা মাদক দ্রব্য।

এলাকাঘুড়ে জানাগেছে, ৩ বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের অধীন আটাপাড়া সীমান্তে ৩নং (বটতলি) ও কয়া বিওপি ৪ ও ৫ নং পোষ্ট। পোষ্টগুলি ঘনবসতি এলাকায় হওয়ায় ব্যবসায়ীরা খুব সহজেই ভারত থেকে মাদক গরু সহ বিভিন্ন পণ্য পাচার করে নিয়ে ঘন জনবসতি বাড়ি গুলোতে লুকিয়ে রাখে। পরে সময় সুযোগ বুঝে এসব পণ্য, গরু ও মাদক দ্রব্য গুলো উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করছে। ঈদকে সামনে রেখে এ ২টি সীমান্ত ঘেঁষা গ্রামের নারী পুরুষ ও শিশু কিশোররা ভারতীয় পণ্য পাচারে আরো সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

আরোও জানাগেছে, সীমান্ত সংলগ্ন গ্রাম ছাড়াও আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে মাদক পাচার থেকে শুরু করে ভারতীয় ভ্যারাইটি পন্য পাচার পূর্বের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আরো অভিযোগে রয়েছে, নারী পুরুষের পাশাপাশি মাদক ও অন্যান্য ভারতীয় সামগ্রী পাচারে কোমর বেধে মাঠে নেমেছে শিশু কিশোররা। মুলত প্রসাশনের দৃষ্টি এড়াতেই শিশু কিশোরদের এই ঘৃন্য পেশায় নামিয়েছে গড ফাদার থেকে শুরু করে দরিদ্র পরিবারের অভিভাবকরা।

প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানায় এসব শিশু কিশোররা প্রশাসনের দৃষ্টি ফাঁকি দিতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে। এর মধ্যে স্কুল ছাত্র সেজে কাঁধে ব্যাগের মধ্যে মাদক লুকিয়ে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কায়দায় পাচার করছে। আবার কখনো অভিভাবকরা তাদের শিশু কিশোরদের স্কুল ব্যাগে মাদক লুকিয়ে নিয়ে নিজেরাই শিশুদের স্কুলে নিয়ে যাওয়ার কৌশল গ্রহন করে বাইসাইকেলসহ বিভিন্ন বাহনে মাদক পাচার করে আসছে। অপরদিকে ডিবি, পুলিশ সহ বিভিন্ন প্রশাসনের সদস্যদেরকে উপজেলার বিভিন্ন এলকায় চষে বেড়াতে দেখাগেলেও বাগজানা ইউনিয়নের পূর্বাংশ মধ্য কুটাহারা, ঘোড়াপা, শেষ ঘোরাপা, ভিমপুর ইটভাটা এলাকা, পাশ্ববর্তী বরন ও ছেলোবেলো গ্রামের মাদক স্পর্টগুলোতে অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায় না।

একটি সূত্র আরোও জানায়, এসব স্পর্টগুলোতে ডিবি ও থানা পুলিশের সদস্যরা অজ্ঞাত কারনে এই এলাকাগুলোতে তাদের অভিযান পরিচালনা করতে আসে না। তাই এখন মাদক সহ বিভিন্ন ভারতীয় পণ্য পাচারের নিরাপদ এলাকা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এই কয়েকটি গ্রাম। গত ১৪ জুন পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদে মাসিক আইন শৃংখলা সভায় চোরাচালান প্রতিরোধ সম্পর্কে বক্ত্যবে কয়া বিওপি কমান্ডার দেলোয়ার হোসেন বলেন সীমান্তে আখ, পাট, ভুট্রা সহ নানা ফসলাদী থাকয় চোরাচালান প্রতিরোধ বাধাগ্রস্থ্য হচ্ছে।