মেইন ম্যেনু

পাঁচমাস পর পরিবারের সঙ্গে ঘুরে বেড়ালেন বৃক্ষমানব

পাঁচমাসেরও বেশি সময় পর হাসপাতালের বাইরে এলেন বৃক্ষমানবখ্যাত আবুল বাজনদার। গত ৩০ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি হওয়ার পর আবুল বাজনদারের দেহে ছয়টি অস্ত্রোপচার ও ৭’শ বার ড্রেসিং করা হয়। সাধারণ রোগীদের কাছ থেকে দূরে রাখতে তাকে পঞ্চম তলার একটি কেবিনে পৃথক করে রাখা হয়। সেই কক্ষটিতেই কেটেছে গত পাঁচমাস।

বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে বের হন আবুল বাজনদার। শহীদ মিনার, টিএসসি, শাহবাগ ও শিশু পার্কের আশেপাশের এলাকায় ঘুরে হাসপাতালে ফিরে আসেন তিনি।

ঢামেক বার্ন ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, ডা. সামন্তলাল লাল সেনের অনুমতি নিয়ে প্রবাসী সাংবাদিক ফজলুল বারির পরিচিত জনৈক বাহার নামে এক ছেলের সঙ্গে পাঁচমাস সাতদিন পর হাসপাতালের বাইরে স্ত্রী হালিমা ও শিশু সন্তান জান্নাতুল ফেরদৌস তাহিরাকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়।

অস্ট্রেলিয়ান প্রবাসী সাংবাদিক ফজলুল বারি বৃক্ষমানব আবুল বাজনদার ও তার পরিবারের ছবিগুলো ফেসবুকে পোস্ট করেন। ফজলুল বারি একসময় জনকণ্ঠ পত্রিকার বিশেষ সংবাদদাতা ছিলেন।

বুধবার (৬ জুলাই) এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে আবুল বাজনদার বলেছিলেন, তিনি ইচ্ছে করলে ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে যেতে পারতেন কিন্তু তিনি চান সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে। স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে অনেকদিন পর বাইরে বেড়াতে বের হতে পেরে খুব খুশি ছিলেন আবুল।